× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার

হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে নানা আলোচনা

শেষের পাতা

রাশেদ আহমদ খান, হবিগঞ্জ থেকে
৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। দায়িত্বরত সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আত্মীয়করণ ও হাইব্রিড পছন্দের ব্যক্তিকে নেতা বানানোর অভিযোগ তুলেছেন দলের একটি অংশ। তাদের দাবি জেলায় আওয়ামী লীগের দুর্দিনে দলের হাল ধরা ত্যাগী অনেক নেতাকে বাদ দিয়ে নিজেদের পছন্দমতো লোকদের নাম প্রস্তাব করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। এতে তৃণমুল আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো কর্মীর অভিযোগ তারা রোষাণলের শিকার হয়েছেন। অপরদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, প্রস্তাবিত কমিটিতে আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কাণ্ডারী প্রকৃত ত্যাগী নেতাদের নামই প্রস্তাব করা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙের অভিযোগ আছে কেবল তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
১৩ মাস আগে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে শক্তিশালী প্রার্থী ছিলেন তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান। সভাপতি পদ থেকে আবু জাহির বাদ পড়তে পারেন এমন জল্পনা-কল্পনা ছিল প্রতিপক্ষ শিবিরে। মজিদ খান ও তার সমর্থকরা অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন তার নাম ঘোষণা করা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এডভোকেট আবু জাহিরকে সভাপতি ও আলমগীর চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। একই গ্রুপের দুইজনকে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করায় হতাশ হন সম্মেলনে উপস্থিত মজিদ খান সমর্থকরা। এরপর থেকে চলতে থাকে দুই গ্রুপের মনস্তাত্বিক দ্বন্দ্ব।

প্রবীণ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা জানান, দলে মূল বিভক্তি শুরু হয় ২০০৩ সালের হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে। এ সময় দলে গ্রুপিং চরম আকার ধারণ করে। কাউন্সিলে তৎকালীন সংসদ সদস্য ও প্রয়াত সমাজকল্যাণমন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদকে হারিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী। কাউন্সিলে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন বর্তমান সংসদ সদস্য এডভোকেট মো. আবু জাহির ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন বর্তমান সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান। কাউন্সিলের কয়েকমাস পরই নেতাকর্মীদের মাঝে গ্রুপিংয়ের বিস্ফোরণ ঘটে। কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ৫৪ জন চলে যান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। তাদের গ্রুপে থাকেন মাত্র ১৭ জন। ৫৪ জনের নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান, আলমগীর চৌধুরী, সহ-সভাপতি আরব আলী, আব্দুল কাদির, আলমগীর ভূঁইয়া বাবুল, শেখ সামছুল হক, শরীফ উল্লাহ, এডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী। অপর গ্রুপে ছিলেন সভাপতি ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবু জাহির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চৌধুরী আবু বক্কর সিদ্দিকী, এডভোকেট আবুল মনসুর, মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, সজিব আলী, জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম প্রমুখ। একপর্যায়ে ৫৪ গ্রুপের নেতারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের পরিকল্পনা নিয়ে পত্রিকায় বিবৃতি দেন। এ অবস্থায় দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার নির্দেশে তৎকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত গ্রুপিং অবসানের উদ্যোগ নেন। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় প্রধানের নির্দেশে হবিগঞ্জ জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল। এরপর দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা উভয় গ্রুপকে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিলে গ্রপিং দৃশ্যত বন্ধ হয়। পরবর্তীতে ৫৪ গ্রুপের কয়েকজন নেতা সভাপতি, সেক্রেটারির গ্রুপে যোগ দেন। এরপর থেকে প্রকাশ্যে কোনো গ্রুপিং না থাকলেও মনস্তাত্বিক অদৃশ্য দূরত্ব বিদ্যমান রয়েছে।
বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আবু জাহির নেতাকর্মীদের একটি অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অপর অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপি। এডভোকেট আবু জাহিরের সঙ্গে রয়েছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, মেয়র মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্ত টিটুসহ দলের নেতাকর্মীদের বৃহৎ একটি অংশ। অন্যদিকে এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান এমপির সঙ্গে রয়েছেন সাবেক সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাবেক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক অনুপ কুমার দেব মনাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের শক্তিশালী একটি অংশ। অন্যদিকে বর্তমান সভাপতি আবু জাহিরের সঙ্গে দূরত্ব রয়েছে হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলীরও। বিগত নির্বাচনের পূর্বে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হয় মাহবুব আলীকে। এরপর থেকে শুরু হওয়া দ্বন্দ্ব এখনো চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসনের যে সকল অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মাহবুব আলী থাকেন সেখানে প্রায় সময়ই অনুপস্থিত দেখা যায় আবু জাহিরকে। এদিকে মন্ত্রী হওয়ার পর তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন আবু জাহিরের বিরোধী গ্রুপটি। এ ছাড়া ৫৪ জনের গ্রুপিং এর সময়ে এক সঙ্গে থাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুশফিক হুসেন চৌধুরীর সঙ্গেও অনেকটা দূরত্ব রয়েছে আবু জাহিরের। বর্তমানে মুশফিক হুসেন চৌধুরী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এতে জাহির বিরোধী শিবির নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে তার সঙ্গে। মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্যকে সঙ্গে পেয়ে অনেকটা শক্তিশালী হয়েছে এ গ্রুপটি।

সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে পুরাতন দ্বন্দ্ব আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা জমা দেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মো. আবু জাহির ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী। দলের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা অভিযোগ তুলেছেন, প্রস্তাবিত কমিটিতে আত্মীয়করণ, অনুপ্রবেশকারী, বিদেশি নাগরিক, যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য ও নিস্ক্রিয়-হাইব্রিড ও নবাগতদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ রোষাণলের কারণে প্রবীণ ও ত্যাগী অনেক নেতাদের বাদ দেয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ কমিটির ৭১ সদস্যের মাঝে ২৮ জনেরই যোগ্যতা নেই জেলা কমিটিতে স্থান পাওয়ার। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলেও অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগ ও পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলার বঞ্চিত নেতাকর্মীরা গত ১৫ই সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার কাছে একটি তালিকা জমা দেন। পরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরীর কাছেও তারা লিখিত আবেদন করেন।

এ ব্যাপারে সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী মানবজমিনকে জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে যারা রাজনীতি করেছেন তারা কমিটিতে স্থান পাননি। দলের কঠিন সময়ে ইমেজধারী যেসব ত্যাগী নেতারা ছিলেন, যারা জেলা কমিটিতে থাকার যোগ্যতা রাখেন তাদেরকে প্রস্তাবিত কমিটিতে রাখা হয়নি। এমনকি তাদেরকে ওয়ার্ড কমিটিতেও রাখা হয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে যারা ব্যবসা করেননি এসব নেতারাও বাদ পড়েছেন। ব্যক্তিগত রোষাণলের কারণেই এসব ত্যাগী নেতাদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অথচ জেলায় এমন কোনো সংগঠন, অঙ্গ-সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন নাই যেখানে বর্তমান সভাপতির লোক নাই। আমরা এসব ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরীসহ কমিটির সকল সদস্যের সঙ্গেই যোগাযোগ করেছি। এখন নেত্রীর সিদ্ধান্তের উপর সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট আবু জাহির এমপি মানবজমিনকে জানান, আমরা স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার-আলবদরের সন্তান ও তাদের নিকটাত্মীয়দের প্রস্তাবিত কমিটিতে রাখিনি। এ ছাড়া আগের কমিটিতে যারা ছিলেন তাদের সকলেই আছেন প্রস্তাবিত কমিটিতে। তিনি বলেন, আগের জেলা কমিটিতে থাকতে আগ্রহী এমনও সদস্য আছেন যার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারী ও চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তার এসব অপকর্মের শিকার হয়ে একাধিক লোক আত্মহত্যাও করেছেন। এ ছাড়া বিদ্রোহী প্রার্থীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সরাসরি দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় বিতর্কিত এসব সদস্যদের আমরা এবার বাদ দিয়েছি। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় একজনকে প্রস্তাবিত কমিটিতে রাখা হয়নি। তিনি বলেন, কমিটিতে আত্মীয় বিবেচনায় কাউকে রাখা হয়নি। আওয়ামী লীগের আপদকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন সেসব নেতাদেরই কমিটিতে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে যদি কেউ কারো আত্মীয় থাকে এটা দলীয় বিবেচনায় আনা হয়নি। নিজে পদ না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে যারা এসব অভিযোগ করছে তা সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভিত্তিহীন কথা বলছে।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী জানান, বঞ্চিত নেতাকর্মীরা আমার কাছে অভিযোগ দিয়ে গেছেন। সমন্বয় কমিটির সভায় আমরা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত যে কমিটি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে সে তালিকা আমি পাইনি। এ কমিটিতে যদি যুদ্ধাপরাধী বা স্বাধীনতাবিরোধী কেউ থাকে তবে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ব্যক্তিগত রোষাণলের কারণে কেউ যদি কমিটিতে স্থান না পেয়ে থাকেন তাও আমরা খতিয়ে দেখবো। এ ছাড়া সিলেটের কমিটি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যাপারে আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

উল্ল্যেখ্য, গত বছরের ৩১শে অক্টোবর শহরের নিমতলা মাঠে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু জাহিরকে সভাপতি ও আলমগীর চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, আহমদ হোসেন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী এমপি, হবিগঞ্জ-১ আসনের এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ মিলাদ প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর