× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার
আল জাজিরার প্রতিবেদন

উইঘুর মুসলিমদের ওপর নিষ্ঠুরতার আরও ভয়াল বর্ণনা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) ডিসেম্বর ৪, ২০২০, শুক্রবার, ১২:৩২ অপরাহ্ন

সাইরাগুল সাউতবে চীনের সিনজিয়াংয়ের ‘পুনঃশিক্ষা ক্যাম্প’ বা রিএডুকেশন ক্যাম্প থেকে মুক্তি পেয়েছেন দু’বছরেরও বেশি সময় আগে। তিনি দু’সন্তানের মা। কিন্তু তাকে এখনও তাড়িয়ে ফেরে তাদের ওপর চালানো ভয়াবহতা, অমানবিকতা আর সহিংসতা। এসবই তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন আটক অবস্থায়। সাইরাগুল সাউতবে বর্তমানে বসবাস করছেন সুইডেনে। তিনি একজন ডাক্তার এবং শিক্ষাবিদ। সম্প্রতি তিনি একটি বই প্রকাশ করেছেন। তাতে তিনি ওই বন্দিশিবিরের ভয়াবহতা, যা প্রত্যক্ষ করেছেন তা তুলে ধরেছেন।
এর মধ্যে রয়েছে প্রহার, যৌন নির্যাতন, জোর করে বন্ধ্যাকর। সম্প্রতি তিনি এসব নিয়ে একটি সাক্ষাতকার দিয়েছেন আল জাজিরাকে। সিনজিয়াংয়ে মুসলিম সংখ্যালঘু ও অন্যান্য উইঘুরদের ওপর কিভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে তার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এসব সংখ্যালঘুকে জোরপূর্বক শূকরের মাংস খাওয়ানো হচ্ছে। এমনকি উইঘুরে শূকরের ফার্ম বিস্তৃত করেছে চীন। সাইরাগুল সাউতবে বলেন, প্রতি শুক্রবার আমাদেরকে শূকরের মাংস খেতে বাধ্য করা হতো। তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ দিনটিকে বাছাই করে নিতো। কারণ, এ দিনটি সপ্তাহের অন্য দিনের চেয়ে বেশি পবিত্র মুসলিমদের কাছে। যদি কেউ এই মাংস খেতে অস্বীকৃতি জানাতো তাহলে তার ওপর নেমে আসতো নির্দয় নিষ্ঠুর শাস্তি। তিনি দাবি করেন, এসব নীতি গ্রহণ করা হয়েছে উইঘুর মুসলিম বন্দিদের অবমাননা করতে এবং তাদেরকে হীন করার উদ্দেশ্যে। সাইরাগুল সাউতবে বলেন, যখন শূকরের মাংস খেতে বাধ্য করা হতো তখনকার অনুভূতি প্রকাশ করার কোনো ভাষা নেই। আমার মনে হতো আমি- আমি নই। আমি অন্য কেউ। আমার চারপাশে যারা থাকতেন বন্দি আমার মতো তাদেরও চোখমুখ কালো হয়ে যেতো। এমন পরিস্থিতি মেনে নেয়া ভীষণ কঠিন।
দীর্ঘ এক প্রতিবেদনে এসব কথা লিখেছে অনলাইন আল জাজিরা। এতে বলা হয়, সাইরাগুল সাউতবে এবং অন্যরা যে সাক্ষ্য দিয়েছেন চীনের ওইসব বন্দিশিবিরের তাতে বোঝা যায়, চীন সিনজিয়াংয়ে কি কঠোর দমনপীড়ন চালাচ্ছে সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে পাল্টে দিতে। বিশেষ করে এক্ষেত্রে তারা বেশি করে টার্গেট করেছে জাতিগত মুসলিমদের। তাদের ওপর ২০১৭ সাল থেকে ব্যাপক নজরদারি করা হচ্ছে। ক্যাম্পে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। তাদের যুক্তি হলো সন্ত্রাস মোকাবিলার জন্য এসব ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু আল জাজিরার কাছে যে তথ্য এসেছে, তাতে দেখা যায় উইঘুরে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি গ্রহণ করেছে চীন। তারা কৃষিকাজেও তাই ফুটিয়ে তুলছে। জার্মান নৃবিজ্ঞানী এবং উইঘুর প-িত আদ্রিয়ান জেনজ বলেছেন, বিভিন্ন প্রমাণ এবং রাষ্ট্র অনুমোদিত নিউজ আর্টিক্যালগুলোতে উইঘুর সম্প্রদায়ের মধ্যে আলোচনার কথা উঠে আসছে। তাতে ওই অঞ্চলে শূকরের ফার্ম অনুমোদন ও তা বিস্তৃত করার সক্রিয় চেষ্টা চলছে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে সিনজিয়াংয়ের শীর্ষ প্রশাসক শোহরাত জাকির বলেছেন, স্বায়ত্তশাসিত ওই অঞ্চলটিকে শূকর পালনের প্রাণকেন্দ্র বানানো হবে। এটাকে উইঘুর সম্প্রদায় তাদের জীবনধারার বিপরীত বলে মনে করেন। মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের উল্লেখ করে জেনজ কাশগর এলাকায় নতুন একটি শূকরের ফার্মের কথা উল্লেখ করেছেন। এতে বছরে ৪০ হাজার শূকর প্রডাকশন দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর জন্য প্রয়োজন ২৫ হাজার বর্গমিটার এলাকা। এমন এলাকা দখলে নিয়ে তার নাম দেয়া হয়েছে শুফু। এ বিষয়ে এ বছরের ২৩ শে এপ্রিল, প্রথম রোজার দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বলা হয়েছে, এখানে শূকরের ফার্ম গড়ে তোলা হবে, মাংস রপ্তানি করার জন্য নয়। কাশগরে এর মাংস সরবরাহ দেয়ার জন্য। শহর এলাকা ও এর আশপাশের এলাকায় বসবাস করেন শতকরা ৯০ ভাগ উইঘুর।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Jack Ali
৫ ডিসেম্বর ২০২০, শনিবার, ৪:১২

Each and every muslim populated country ruled by Murtard/Taghut/Munafiq and Zalem government, this government also torture their own people mercilessly, they rape them/Looing their hard earned money, if they protest against the wrong doing of the government they abduct them and never come, they disappear for ever, all these crime is happening in Bangladesh also. All these so called Muslim Populated people they do not follow Qur'an and Sunnah, they have accepted the western dirty civilization.. not only that all the kaffir country know that muslim cannot produce any things including Arms and ammunitions as such they are dependent on us.. as a result these kaffir country is killing us/Raping us/expel us from our mother land i.e. Rohingya Muslim, Palestinian Muslim.. When Muslim used to follow Qur'an And Sunnah, the Kaffir country fear Muslim. Allah gave us a waring in Qur'an: Stern warning from Allah [SWT] regarding unity of Muslim Ummah: Surah 8:Al-Anfal: Ayat: 73.. And those who disbelieve are allies of one another, [and] if you [Muslims of the whole world collectively] do not do so [i.e: become allies, as on united block under one Khalifah] (a chief Muslim ruler for the whole Muslim world) to make victorious Allah’s religion of Islamic Monotheism), there will be Fitnah [war, battles, rape, adultery, fornication, murder, polytheism] and oppression on the earth, and a great mischief and corruption will spread every corner in the world.

Murad H Milon
৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৬:৫২

We r Muslim? No , I can't say that we r agent of Satan. We r not human, we r last stage of animals, brain damage, selfish and human suckers....

Mohammad hossain
৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৫:৩০

Real problems is 95%muslims countries rolling by so called muslims they are munafik. Until we've understand that there's no solution. If saying that they will level you are fundamentalist.

Professor Dr.Mohamme
৪ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ৩:৩৫

নিষ্ঠুরতা শুধু উইঘুর মুসলিমদের ওপর হচ্ছেনা। প্রতিবেশী দেশ ভারত আর মিয়ান্মারে আরও ভয়াল নিষ্ঠুরতা চলছে যার বর্ণনা সকল বর্বরতাকে হার মানিয়েছে । আরাকান থেকে মুসলমানদের এ দেশে ঠেলে দেয়া আর তার সাথে ভাসান চরে তাদের জীবিত স্তানান্তর এর ঘটনা ১৪৯২ সালের আইবেরিয়া থেকে মুসলমানদের ৭০০ বছরের শাসনের অবসানকে মনে করিয়ে দেয় যা সচেতন মানুষের জন্য একটি মাইল ফলক । বাংলাদেশের মুল ভূখণ্ড থেকে আরাকানি মুসলমানদের ভাসান চরে নির্বাসনে ভেড়া পালনের করে কর্মহীন জীবনে গতি ফিরানোর চেষ্টা সফল হলে, এদেশের মুসলমানদের দ্বীপান্তর দেয়ার সীমাহীন সম্ভাবনার দার উম্মচিত হলে আমি আসচজ্জ হবোনা । কারন, আমরা কেন জেন প্রতিবাদ করতে ভুলে গেছি ।

অন্যান্য খবর