× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার
জেআরসি’র টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠক

অপর্যাপ্ত ডাটা, কাঙ্ক্ষিত ফল অনিশ্চিত

দেশ বিদেশ

কূটনৈতিক রিপোর্টার
৬ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

প্রতীক্ষিত জয়েন্ট রিভার কমিশন বা জেআরসি’র টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠক ভার্চ্যুয়ালি শুরু হয়েছে। প্রায় ৩ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের প্রথম দিনে ডাটা বিনিময় এবং এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আজ সমাপনী দিনে আরো বিস্তারিত আলোচনা হবে। তবে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে ওই বৈঠক থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন। কারণ ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে যে অভিন্ন ৬ নদী নিয়ে মূলত আলোচনা হচ্ছে তার আপডেট ডাটা কারও কাছেই নেই। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১৯৯৬ সালের  জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নদীগুলোর পানি প্রবাহের যে ডাটা ছিল তাই আদান-প্রদান হয়েছে। কিন্তু নদীগুলোর ভারত অংশের উপরিভাগের পানি কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, সে বিষয়ে ঢাকা রীতিমতো অন্ধকারে। সূত্র বলছে, গোমতি, খোয়াই, ধরলা, দুধকুমার, মনু ও মুহুরি- এই ৬ নদীর পানি বণ্টনের আগে নদীগুলোর ভারত অংশের পানির ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে চায় বাংলাদেশ।
এ নিয়ে আরো তথ্যের প্রয়োজন আছে বলে মনে করে ঢাকা। বৈঠক সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, আজ সমাপনী দিনে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য পর্যায়ে অর্থাৎ বাংলাদেশ ও ভারত টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠক হবে। সেখানে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত রিপোর্ট নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা হবে। সূত্র মতে, প্রতিটি নদীর পানি প্রবাহ একটি নির্দিষ্ট পয়েন্টে পরিমাপ করা হয়। কিন্তু এর উপরিভাগে যদি ওই নদীর পানি কোনো কাজে ব্যবহৃত হয়, তার প্রতিফলন পয়েন্টে নাও থাকতে পারে। সেজন্য নদীর পূর্ণ অংশে পানি কোথায় ও কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে সেটি জানাটা জরুরি। ভারত যেহেতু উজানের দেশ, সেজন্য তাদের পানির ব্যবহার জানা না থাকলে পানির ন্যায্য বণ্টন অসম্ভব এমন মন্তব্য করে এক কর্মকর্তা বলেন, ২০১১ সালে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে একটি কাঠামো চুক্তি সই হয়েছিল। ওই চুক্তির দুটি ধারায় বলা হয়েছে, অববাহিকাভিত্তিক নদী ব্যবস্থাপনার কথা, যার ফলে উভয় দেশ উপকৃত হতে পারে। বাংলাদেশ এ বিষয়ে জোর দিচ্ছে। বৈঠকের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা বলেন, নদীর পানি বণ্টন চুক্তির ক্ষেত্রে শুষ্ক মৌসুমে কোন্‌ দেশ কতটুকু পানি পায় বিষয়টি উল্লেখ থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বর্ষা মৌসুমে পানির ভালো ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করতে হলে অববাহিকাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার দিকে অগ্রসর হতে হবে। উল্লেখ্য, আজকের আলোচনায় ১০টি জেলায় নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ, গঙ্গা-পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডি, রহিমপুর খাল খনন, তিতাস নদীর পানি দূষণ, বন্যা পূর্বাভাস স্টেশন বৃদ্ধি, মহানন্দা নদীর পানি প্রবাহ কমে যাওয়া ইত্যাদি বিষয়ে কথা হবে। একই সঙ্গে আত্রাই, পুনর্ভবা ও ট্যাংগন নদীর পানি কমে যাওয়া, ভারতের তরফে ফেনী নদীর ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি উত্তোলন এবং মাথাভাঙা-চূর্ণী নদীর পানি দূষণ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর