× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

করোনার টিকা প্রয়োগ নীতিমালা চূড়ান্ত

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
৬ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগের নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এটি গতকাল মন্ত্রণালয়ে জমাও হয়েছে। এমনই তথ্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। করোনা ভ্যাকসিন দেশে আসার পরও প্রয়োগের সার্বিক প্রস্তুতি নিতে আরো কিছু সময় লাগতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে মাত্র ৩ শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া সম্ভব হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমতিপ্রাপ্ত টিকা দেশে প্রয়োগের আগে দেশে কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হবে না। এমন সব সুপারিশসহ দেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগের নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে গোটা দুনিয়াই ভ্যাকসিনের অপেক্ষায়।
উন্নত দেশ ইতিমধ্যেই টিকা প্রয়োগও শুরু করেছে। করোনার টিকা প্রয়োগ নীতিমালা সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সাংবাদিকদের বলেন, এটা তেমন কিছু না। চলমান প্রক্রিয়া। চূড়ান্ত করবে মন্ত্রণালয়। সূত্র জানায়, ১৩৭ পৃষ্ঠার টিকা প্রয়োগ নীতিমালা বিষয়টি তদারকি করতে পৃথক একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়। একই সময় উল্লেখ করা হয়, দেশে ভ্যাকসিন আসার আগে থেকে নানা বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে। তবে ভ্যাকসিন আসার পরও এর লোকবল নিয়োগ, কারিগরি সহায়তা, কাগজপত্র প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন হবে ৮ সপ্তাহ সময়। তবে অন্য আরেকটি সূত্র দাবি করছে, করোনার টিকা দেয়ার জন্য তারা প্রস্তুত। দেশে টিকা আসলে প্রয়োগ করতে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না। শুরুর ধাপে ৩ শতাংশের বেশি মানুষকে টিকা দেয়া সম্ভব হবে না। তবে ধীরে ধীরে বাড়ানো হবে এ সংখ্যা। দ্বিতীয় ধাপে ৭ ভাগ, তৃতীয় ধাপে ১১ থেকে ২০ ভাগ মানুষকে দেয়া যাবে টিকা। পর্যায়ক্রমে ২১ থেকে ৪০ ভাগ এবং ৪১ থেকে ৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা যাবে।  এ নীতিমালায় বড় একটি অংশজুড়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে টিকার নিরাপত্তা ও সংরক্ষণের বিষয়টি। কি পরিমাণ কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে, সেটিও পরামর্শ দেয়া হয় নীতিমালায়। চিকিৎসকসহ সম্মুখযোদ্ধারা টিকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবেন। সেবা কীভাবে দেয়া হবে সেই বিষয়ে বলা হয়েছে নীতিমালায়। টিকা প্রয়োগে কীভাবে যোগাযোগ করা হবে সে বিষয়ে নীতিমালা রয়েছে। অনলাইনে নিবন্ধনের সুপারিশ রয়েছে এতে। রোহিঙ্গাদের একই সঙ্গে টিকা দেয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমতি পাওয়া টিকার ক্ষেত্রে প্রয়োগের আগে দেশে কোনো পরীক্ষা করা হবে না। তবে, স্থানীয় পর্যায়ে আবিষ্কৃত টিকা কিংবা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন ছাড়া আমদানি করা টিকার ক্ষেত্রে শুরুর ৩ দফায় ল্যাব পরীক্ষা করা হবে। জরুরি প্রয়োজনের জন্য থাকবে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর