× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার
জেনেভায় রাষ্ট্রদূতের পরচিয়পত্র পেশ

বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে সুইজারল্যান্ডের প্রতি আহ্বান

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার
(১ সপ্তাহ আগে) জানুয়ারি ১৩, ২০২১, বুধবার, ৮:১৮ অপরাহ্ন

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে সুইজারল্যান্ড সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জেনেভায় নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন-এর কাছে পরিচয়পত্র প্রদানকালে এ আহ্বান জানান তিনি। গতকাল দূতাবাসের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়ে সুইস প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিগগিরই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ করবে বলে তিনি আশা করেন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত রহমান স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণশীল দেশসমূহের জন্য উত্তরণ পরবর্তী সময়ে (একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে) বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখার লক্ষ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় চলমান আলোচনায় সুইজারল্যান্ড সরকারের সমর্থন কামনা করেন। মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশকে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি লাভজনক বাজার উল্লেখ করে সুইস বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়াসে সুইজারল্যান্ডের সহায়তা কামনা করেন। তিনি কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে আর্থ-সামাজিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়েও সুইস প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন।
সুইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি সুইস বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী বলে রাষ্ট্রদূতকে জানান। প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করায় বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত রহমান রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সুইজারল্যান্ডের অব্যাহত সমর্থনে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে তিনি জাতিসংঘ, আসিয়ান, প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ ও মিয়ানমারে বিনিয়োগকারী দেশগুলো মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এ সমস্যার টেকসই সমাধানে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সুইস প্রেসিডেন্ট নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে অভিনন্দন জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর