× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার
চসিক নির্বাচন

হত্যা মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী কাদেরসহ রিমান্ডে ১১

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে
১৫ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ২৮ নং পাঠানটুলী এলাকায় গণসংযোগে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আওয়ামী লীগ কর্মী আজগর আলী বাবুল নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল কাদেরসহ ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের (পশ্চিম) পরিদর্শক মো. শাহাদাত হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালত বুধবার রাতে এ আদেশের কথা জানিয়েছেন।
রিমান্ড মঞ্জুর করা অন্য আসামিরা হলেন- এম কে কবির হেলাল উদ্দিন (৪০), ওবায়দুল কবির মিন্টু (৪০), আসাদুজ্জামান নূর রায়হান (২৯), ইমরান হোসেন ডলার (২৪), দিদার উল্লাহ দিদু (৪৮), মিনহাজ হোসেন ফরহাদ (২০), শহীদুল আলম সাহেদ (৩৭), জাহিদুল আলম জাহিদ (২৫), শহিদুল ইসলাম (৩৩), আব্দুর রহমান (৪৪)। তদন্ত কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন খান জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯ টার দিকে পাঠানটুলী ওয়ার্ডের মগপুকুর এলাকায় দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের গণসংযোগের সময় গোলাগুলিতে নিহত হন স্থানীয় মহল্লা সর্দার আজগর আলী বাবুল। একই ঘটনায় মাহবুব নামে আরো এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার জেরে মধ্যরাতে চসিকের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুল কাদের ওরফে মাছ কাদেরসহ ২৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে বুধবার দুপুরে ১৫ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়।
আর ১১ জনকে বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে তোলা হয়। সেই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে বুধবার সকালে এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহত আজগর আলী বাবুলের ছেলে সেজান মাহমুদ সেতু। তিনিও মহানগর ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
প্রসঙ্গত, নিহত আজগর আলী বাবুল ২৮ নং পাঠানটুলি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুরের সমর্থক। তার নিহতের ঘটনায় একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদেরকে দায়ী করেন বাহাদুর। তবে গ্রেপ্তারের আগে আব্দুল কাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাহাদুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নজরুল ইসলাম বাহাদুর নগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ২৮ নং পাঠানটুলী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী। ২০১০-২০১৫ মেয়াদে তিনি ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।
অপরদিকে নগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল কাদের ওরফে মাছ কাদের ২০১৫ সালে ওই ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
আবদুল কাদের নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সমপাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় নিহত আজগর আলী বাবুল সর্দারের লাশ বুধবার বিকালে নগরীর চৈতন্য গলি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ছেলে ও মামলার বাদী সেজান মাহমুদ সেতু।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর