× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৪ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মীকে বাসায় ডেকে কোপালেন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী

অনলাইন

বরগুনা প্রতিনিধি
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ১৫, ২০২১, শুক্রবার, ৭:৪৮ অপরাহ্ন

বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারণার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এক কর্মীকে বাসায় ডেকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ এক নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে। আহত ওই কর্মীর নাম মো. দেলোয়ার হোসেন (৪৫)। তিনি বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী নিপা আক্তারের কর্মী। আহতাবস্থায় উদ্ধার করে তাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেলোয়ারকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ওই নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর নাম নাসরীন নাহার সুমি। একই ওয়ার্ডে তিনি অটোরিকশা প্রতীকে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে বরগুনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন নাসরীন নাহার সুমির বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে আহত দেলোয়ার হোসেন বলেন, বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী নিপা আক্তারের টেলিফোন প্রতীকের পক্ষে বাসায় বাসায় গিয়ে ভোট চাইতে আমি শহীদ মিনার এলাকায় যাই। এসময় নিপা আক্তারের প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি আমাকে তার বাসা থেকে দেখে ফেলেন।
পরে তিনি আমাকে ডেকে বাসায় ডেকে নেন। এসময় আমি কার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছি, তা তিনি জানাতে চান।
আমি নিপা আক্তারের টেলিফোন প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছি, এটা বলতেই তিনি আমাকে গালাগাল শুরু করেন। আমি এর প্রতিবাদ করতেই তিনি একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় কোপ বসিয়ে দেন। আর পরবর্তীতে তার বাসার আসেপাশে টেলিফোন প্রতীকের প্রচারণা চালাতে না যাওয়ার জন্য সতর্কও করে দেন। পরবর্তীতে ওই এলাকায় ভোট চাইতে গেলে অবস্থা খারাপ হবে বলেও আমাকে হুমকি দেন তিনি।
অভিযুক্ত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমির বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা এ অভিযোগ মোটেই সত্য নয়। আমার জনপ্রিয়তায় ভাটা লাগাতে আমার  প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিচ্ছেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা ইতোমধ্যেই অবগত হয়েছি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ঊর্মি
১৫ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার, ১১:৩৩

বাঃ এইতো চাই। চালিয়ে জান। আমরা সর্বক্ষেত্রে নারীদের অগ্রগতি দেখতে চাই

Shahid
১৫ জানুয়ারি ২০২১, শুক্রবার, ৮:৪৬

নারীবাদি শাসনে পুলিশ নির্যাতন আইন চাওয়া বোকামী।

অন্যান্য খবর