× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, রবিবার

ফেনীতে নৈশপ্রহরীকে হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

বাংলারজমিন

ফেনী প্রতিনিধি
১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার

ফেনীতে একটি স্কুলের নৈশপ্রহরী মো. শফিউল্যাহকে (৬০) হত্যায় আসামি সোহেল হাওলাদার ওরফে ঘোড়া সোহেলকে (২০) মৃত্যুদ- দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। গতকাল দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেগম জেবুন্নেছা আসামি সোহেল হাওলাদারকে মৃত্যুদ- ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদ-ে দ-িত করেন। দ-প্রাপ্ত আসামি রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। শফিউল্যাহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত অপর আসামি মেহেদি হাসান রাব্বী, ইয়াসিন সাকিব কাজি ও মো. রনিকে শিশু আদালতে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দ-প্রাপ্ত সোহেল হাওলাদার বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানার পঞ্চকরণ এলাকার চাঁনমিয়া হাওলাদারের ছেলে। সে দীর্ঘদিন ফেনী শহরের গাজিক্রস রোড এলাকায় হক ম্যানশনে ভাড়া থাকতো ও শহরের একটি শিশুপার্কে ঘোড়া গাড়ির চালক হিসেবে কাজ করতো। ফেনী জজ আদালতের রাষ্ট্র পক্ষের কুশলী (পাবলিক প্রসিকিউটর, পিপি) হাফেজ আহমেদ জানান, সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন হাফেজ বাড়ির মো. সোলাইমানের ছেলে মো. শফিউল্যাহ ফেনী সরকারি গালস্ স্কুলের নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো। তিনি শহরের গাজিক্রস রোডের হাসান আলী ভূঁঞা বাড়ির পাশে হক ম্যানশন ভাড়া থাকতো।
তার প্রতিবেশী ছিল সোহেল হাওলাদার। ২০১৯ সালের ৩০শে মে রাতে হক ম্যানশন থেকে শফিউল্যাহর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দিন দেড় ভরি স্বর্ণ ও নগদ এক লাখ টাকা লুট করে আসামিরা। এ ঘটনায় মো. শফিউল্যাহ ছেলে আবদুল মোতালেব বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে ঘটনার পর দিন ৩১শে মে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাঈন উদ্দিন ভূঁঞা অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। চুরি করার উদ্দেশে মো. শফিউল্যাহ হত্যা করেছে স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে মেহেদি হাসান রাব্বী, ইয়াসিন সাকিব কাজি ও মো. রনি।
মামলার পরবর্তীত তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান চৌধুরী ২০২০ সালের ২৯শে এপ্রিল আদালতে সোহেল হাওলাদারকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেন। ঘটনায় জড়িত অপর তিনজন আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে আরেকটি অভিযোগপত্রে দেয় তদন্তকারী কর্মকর্তা।
গত বছরের ৩০শে সেপ্টেম্বর ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ বেগম জেবুন্নেছার আদালতে আসামি সোহেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। গত ১৩ই অক্টোবর মামলার বাদীকে সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। এ মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১৫ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ই জানুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য সময় নির্ধারণ করেন আদালত।
মামলায় আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শরফুদ্দিন মাহমুদ মানিক। অপরদিকে শিশু আদালতে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর