× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ মার্চ ২০২১, সোমবার

জঙ্গি নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যকারীদের মনোচিকিৎসা প্রয়োজন: আইজিপি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
১৮ জানুয়ারি ২০২১, সোমবার

পুলিশের আইজি ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, জঙ্গিবাদের শিকড় বাংলাদেশ থেকে উপড়ে ফেলা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশ পুলিশের উগ্রবাদ এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া সত্ত্বেও এ দেশের একদল মানুষ কোনো কিছুতেই মঙ্গল খুঁজে পায় না। তাদের মধ্যে এক ধরনের নৈরাশ্যবাদ কাজ করে। এসব নৈরাশ্যবাদীদের মনোচিকিৎসা প্রয়োজন।
গতকাল সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট উগ্রবাদী কার্যক্রমবিরোধী জনসচেতনতামূলক অনলাইন ও টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি আনুষ্ঠানিকভাবে ৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের একটি ওভিসি এবং ১.৩০ মিনিটের একটি টিভিসি উদ্বোধন করেন।
আইজিপি তার বক্তব্যে বলেন, কিছুদিন আগে একটি জঙ্গি আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান হয়েছে।
ওই অনুষ্ঠানের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একদল লোক নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকে। তাদের ভাষ্য মতে, বাংলাদেশে কোনো জঙ্গিবাদী কার্যক্রম নেই। তাহলে প্রশ্ন হলোÑ কোথা থেকে এসব জঙ্গিরা এলো? তার মানে এ ধরনের লোকদের খুশি করার জন্য দেশটাকে রক্তাক্ত করে দিতে হবে। তারপর জঙ্গি ধরতে হবে। ব্যাপারটা অনেকটাÑ কাদম্বিনি মরিয়া প্রমাণ করিলো সে মরে নাই বিষয়টির মতো দাঁড়াচ্ছে। আমরা যদি প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে জঙ্গিদের না ধরতাম, তাহলে ঠিকই জঙ্গি দেখতে পেতেন। এ ধরনের নৈরাশ্যবাদের চর্চা না করে সুস্থতার জন্য সঠিক চিকিৎসা করানো জরুরি। তারা মানসিকভাবে অসুস্থ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, যাবতীয় উগ্র এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গণমানুষকে সচেতন করার ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে সংযোগ স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম একটা বিশাল সাম্রাজ্য। এর যেমন ইতিবাচক দিক আছে, তেমনটাই অপরপাশে নেতিবাচক দিকও অবস্থান করে। জঙ্গিবাদে আকৃষ্ট হওয়ার মতো অনেক বিষয়বস্তু থাকতে পারে। কিন্তু এর থেকে বিরত রাখার মতো ন্যারেটিভ কন্টেন্টের বড়ই অভাব।
বেনজীর আহমেদ আরো বলেন, এমন পরিস্থিতিতে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের এই অনলাইন এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টির এই উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এখন আমাদের সকলের দায়িত্ব এটিকে ছড়িয়ে দিয়ে গণমানুষের এমনকি বহির্বিশ্বেরও দৃষ্টিগোচর করা। যাতে মানুষ উগ্রতা ও জঙ্গিবাদ থেকে সচেতন হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশ বদ্ধপরিকর। কোনো জঙ্গিবাদের ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ ছিল এবং আছে। জঙ্গিবাদ এবং উগ্রবাদের শিকড় বাংলাদেশ থেকে উপড়ে ফেলা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট) মোহাম্মদ কামরুল আহসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেনÑ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও অপারেশন) মইনুর রহমান চৌধুরী ও ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশ সদর দপ্তর এবং ডিএমপি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
হেদায়েত উল্লাহ।
১৯ জানুয়ারি ২০২১, মঙ্গলবার, ৮:০৯

জংগী শব্দটি ফারসি শব্দ জংগ থেকে এসেছে। যার বাংলা অর্থ যুদ্ধ। আর জংগী শব্দের অর্থ যোদ্ধা। যোদ্ধা বলতে কোন খারাপ কিছুকে আমরা বুঝি না। কিন্তু আমাদের মিডিয়া গুলো বুঝে বা না বুঝে উগ্রবাদ /সন্ত্রাসবাদ কে জংগীবাদের সাথে এক করে ফেলেছে। সেইভাবে নিলে জংগীবাদের অর্থ হতে পারে যুদ্ধবাজ বা যুদ্ধবাদ। আর এই অর্থে বর্ত্তমান বিশ্বের সকল পরাশক্তি দেশ ও তাদের শাসকরাই জংগীবাদী।

অন্যান্য খবর