× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৪ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার
বাসচাপায় দম্পতি নিহত

লাইসেন্স ছাড়াই বাস চালাতেন তসিকুল

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় আকাশ ইকবাল ও মায়া হাজারিকা মিতু দম্পতি নিহতের ঘটনায় চালককে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। লাইসেন্স ছাড়াই তিনি বাসটি চালাতেন। গতকাল দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি’র সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক। তিনি জানান, সোমবার রাতে গাজীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের একটি বাসের চালক তসিকুল ইসলামের বাড়ি চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার শেরপুরে। উপযুক্ত লাইসেন্স ছাড়াই তিনি বাসটি চালাতেন। ঘটনার দিন কুয়াশার কারণে মোটরসাইকেলটি দেখতে পাননি বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন তসিকুল। তবে এ ঘটনায় চালকের দুই সহযোগী এখনো পলাতক রয়েছে।
তাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিআইডি’র অতিরিক্ত এসপি মুক্তা ধর জানান, দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান চালক তসিকুল। পরে এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করা হলে থানা পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে সিআইডি। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্য, প্রথাগত ও প্রযুক্তিগত তদন্তের ভিত্তিতে অবস্থান শনাক্ত করে তসিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তসিকুল চাপা দেয়ার কথা স্বীকার করে সিআইডিকে জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলটি হঠাৎ বাসের সামনে চলে আসে, কুয়াশার কারণে তিনি দেখতে না পারায় চাপা পড়ে যায়। তবে, বাস চালানোর জন্য তার উপযুক্ত লাইসেন্স নেই। হালকা যান চালানোর লাইসেন্স দিয়ে ১০ বছর ধরে বাস চালিয়ে আসছিলেন।
কান্না থামছে না ওই দম্পতির কন্যা আফরার: মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আকাশ ও মায়া নিহতের পর তাদের চার বছর বয়সী একমাত্র কন্যা সন্তান আফরা এখন গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর সদর থানার ধুলদি এলাকায় দাদা-দাদির কাছে রয়েছে। বাবা-মাকে কাছে না পেয়ে বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছে সে। নিহত আকাশের ফুপাতো ভাই মো. মিজানুর রহমান মিন্টু জানান, বাবা-মাকে কাছে না পেয়ে কিছু খেতে চাইছে না আফরা। কিছুতেই তার কান্না থামাতে পারছেন না দাদা জাফর ইকবালসহ অন্যরা।
গত ১৮ই জানুয়ারি সকাল সোয়া ৭টার দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে পদ্মা অয়েল গেইটের পাশে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৪২৫৪) একটি বাসের চাপায় আকাশ ও মায়া দম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। প্রতিদিন সকালে দক্ষিণখানের পূর্ব মোল্লারটেকের বাসা থেকে স্ত্রী মায়াকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বের হতেন আকাশ। স্ত্রীকে অফিসে নামিয়ে দিয়ে নিজের অফিসে যেতেন তিনি। আকাশ পদ্মা সেতু প্রকল্পে এবং স্ত্রী মায়া বিমানবন্দরের হোটেল লেক ক্যাসেলে চাকরি করতেন। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Habib
২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১১:২৯

এক তসিকুল নয়, ঢাকা শহরে এবং সারা দেশে প্রায় ৯০ শতাংশ বাস ড্রাইভারের বৈধ লাইসেন্স নেই। আমরা স্বাধীন বাংলার মানুষেরা কতটুকু নিরাপদে আছি, বুঝে নেন। সবকিছুই এখন দলীয় নিয়ন্ত্রণে। বেচে থাকা বা মারা যাওয়া সবই।

Md. Harun al-Rashid
২০ জানুয়ারি ২০২১, বুধবার, ১১:১৪

দশ বছর লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। এমন কয়েক শত/ হাজার বাস / ট্রাক চালক প্রতিনিয়ত রাস্তায় নামছে । দায়িত্বপ্রাপ্তরা এদের ধরলে এমন দূর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যেত। "দূর্ঘটনা আকর্ষিক ব্যপার"-এমন শান্তনা নেয়া অন্ধবিশ্বাসের নামান্তর।

অন্যান্য খবর