× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শুক্রবার

চীনের উইঘুরে মুসলিম গণহত্যা হচ্ছে -পম্পেও

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২০, ২০২১, বুধবার, ২:৩৯ অপরাহ্ন

ট্রাম্প প্রশাসনের বিদায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও তার শেষ কর্মদিবসে চীনের উইঘুরে গণহত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। পম্পেও বলেন, আমার ধারণা চীন উইঘুরে পরিকল্পিত গণহত্যা চালাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বাইডেন প্রশাসনের সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেনকে মঙ্গলবার এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনিও দ্বিমত প্রকাশ করেননি। বাইডেনের নির্বাচনী টিম গত আগস্টে এমনই বিবৃতি দিয়েছিল। প্রেসিডেন্ট পাল্টালেও চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের কোনো পরিবর্তনের কোনো লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।  
চীন ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের সায় দেয়ায় চীনের উপর কিছুটা চাপ পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত সপ্তাহে চীন থেকে তুলা এবং টমেটোজাত পণ্য আমদানি বন্ধ করে দেয়।
এসব পণ্য চীনের সিনজিয়াং প্রদেশ থেকে যেতো যুক্তরাষ্ট্রে। ওই প্রদেশের বেশিরভাগই উইঘুর মুসলিমের বসবাস। এসব মুসলিমের বিরুদ্ধে চীনের দমনপীড়ন নিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় অনেকদিন ধরে সোচ্চার। অভিযোগ করা হয়, কট্টরপন্থি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অজুহাত তুলে উইঘুর মুসলিমদের গ্রেপ্তার করে চীন। এরপর তাদেরকে আটকে রাখে। এমন অভিযোগ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিভিন্ন মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনের। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেনসহ পশ্চিমা দেশগুলোও অভিযোগ করেছে, উইঘুরদের ওপর নির্যাতন করছে চীন। কিন্তু চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের বিপরীতে করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যর্থতাকে গণহত্যা বলে আখ্যায়িত করেছে। চীনের দাবি, উইঘুর এলাকায় তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী, সন্ত্রাসবাদী আর উগ্রপন্থিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে বিবিসির রিপোর্ট বলছে, সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়কে টার্গেট করা হচ্ছে। তাদেরতে ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখা হচ্ছে।
বাইডেন প্রশাসন উইঘুরে গণহত্যার কথা বললেও তাদের সিনজিয়াংয়ের ব্যাপারে নীতিমালা নির্ধারণ করতে হবে। চীনের সাথে তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে কীভাবে চীনকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য সতর্ক করা যায় সেটা বাইডেন প্রশাসনের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর