× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৮ মার্চ ২০২১, সোমবার

উত্তপ্ত খুবি,এবার তিন শিক্ষকের বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু

শিক্ষাঙ্গন

শাওন শেখ শুভ, খুবি প্রতিনিধি
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২০, ২০২১, বুধবার, ৬:১২ অপরাহ্ন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) তিনজন শিক্ষককে শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও গুরুতর অসদাচরণের দায়ে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এই তিন শিক্ষক হলেন, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজল, একই বিভাগের প্রভাষক শাকিলা আলম এবং ইতিহাস ও সভ্যতা বিভাগের প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী।

নোটিশে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য, কুৎসা রটানো এবং উসকানিমূলক কথা প্রচার করেছিলেন তারা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে অন্যান্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো থাকার পরও তারা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছেন। পরে ওই শিক্ষকরা কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দেন। অপসারণের কথা জানিয়ে এরপর মঙ্গলবার তাদের চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন অপসারণ করা হবে না, আগামী ২১শে জানুয়ারির মধ্যে তা জানাতে হবে।

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজল বলেন, যেসব সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন তাদেরকে পরীক্ষা করার সুযোগ আমাকে দেয়া হয়নি। এমনকি তারা যে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার কোনো অনুলিপিই আমাকে দেয়া হয়নি, যা আইনত আমার প্রাপ্য। পরপর দুইটি বিশেষ সিন্ডিকেট সভা বসিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যা প্রমাণ করে সম্পুর্ণ বিষয়টিই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী বলেন, নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য আইনত আমার ১০ দিন সময় পাওয়া উচিত ছিল।
এতো কম সময়ের মধ্যে এই নোটিশের উত্তর দেয়া দুরহ কাজ।

এ বিষয়ে ভিসি ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বলেন, যেহেতু তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ আছে তাই এ বিষয়ে আমার চূড়ান্ত মন্তব্য করার সময় এখনো আসেনি। তবে ওই সময় তারা শিক্ষার্থীদের ইন্ধন দিয়ে উত্তপ্ত করে রাস্তায় নামিয়েছেন, পিছনে থেকে সহযোগিতা করেছেন। সার্বিক বিষয়ে যদি তারা অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চায় তবে হয়তো পরবর্তী সিন্ডিকেটে সিধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে।

এর আগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুইজন শিক্ষকের সাথে অসদাচারণ ও তদন্তে অসহযোগিতার দায়ে  বাংলা ডিসিপ্লিনের মোহাম্মদ মোবারক হোসেন নোমান (১৮ ব্যাচ) এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের ইমামুল ইসলামকে (১৭ ব্যাচ) বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর