× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শনিবার

দখলমুক্ত করার বিশাল কর্মযজ্ঞে লিপ্ত হয়েছি: তাপস

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) জানুয়ারি ২০, ২০২১, বুধবার, ৮:৩০ অপরাহ্ন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ওয়াসার কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণের হতে খাল দখলমুক্ত করার অভিযান এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম চলমান আছে। আগামী বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আমাদের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলমান আছে এবং এটা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। খালগুলো দীর্ঘদিন দখল অবস্থায় আছে। আমরা সেই দখলমুক্ত করার বিশাল কর্মযজ্ঞে লিপ্ত হয়েছি। বুধবার রাজধানীর মতিঝিলে ‘মতিঝিল পার্ক’ এর উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জলাবদ্ধতার দূরীকরণে অবকাঠামো উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা এবং বর্জ্য অপসারণে ২০-২৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, এই পুরো খরচ আমরা নিজস্ব অর্থায়ন হতেই ব্যয় করব। গত বছর যে সকল জায়গায় জলাবদ্ধতা হয়েছিল, সে সকল জায়গায় আমরা কিছু অবকাঠামো উন্নয়নে হাত দিয়েছি । এসব নিজস্ব অর্থায়নেই বাস্তবায়ন করছি।
ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর ওয়াসার সাথে আমাদের যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা তাদের কাছ থেকে যে যান-যন্ত্রপাতি পাবো, সেগুলো হস্তান্তর প্রক্রিয়া এখনো চলমান আছে।
যার কারণে আসলে আমাদের কিছুটা সক্ষমতার অভাব রয়েছে। কারণ, পুরো এই দখলমুক্ত কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য যে সকল যান-যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, সেরকম যান-যন্ত্রপাতি এখনো আমাদের কাছে নেই। যন্ত্রপাতি পেলে আমাদের কার্যক্রমটা আমরা ত্বরান্বিত করতে পারব। তারপরও আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক রেখেছি। আগামী মার্চের মধ্যেই আমরা এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চাই।
তিনি বলেন, সারা ঢাকা শহরকে আমরা নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলব। আমাদের হবে ঐতিহ্যের ঢাকা, আমাদের হবে সুন্দর-সচল ঢাকা। আমাদের হয়েছে সুশাসিত ঢাকা । ইনশাল্লাহ ২০৪১ সালের আগেই উন্নত ঢাকা উপহার দেব।
শেখ তাপস বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলাদেশ গড়তে তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে তিনি আমাদেরকে একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছেন। এরই ফলশ্রুতিতে আমরা ঢাকাকে উন্নত ঢাকা গড়ার বিশাল কর্মযজ্ঞ গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নত বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়। ২০২১ সালে দাঁড়িয়ে আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।
এর আগে তিনি নগরীর জিরানী খালের জোর ভিটা পয়েন্ট, কদমতলী ব্রিজ সংলগ্ন উচ্ছেদ অভিযান ও মান্ডা ব্রিজ সংলগ্ন উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শন করেন এবং নবনির্মিত যাত্রাবাড়ী ফুটওভার ব্রিজ, শাখারী বাজার ফুটওভার ব্রিজ ও নয়া বাজার ফুটওভার ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর