× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

খুলনায় ভ্যাকসিন সংরক্ষণের প্রস্তুতি সম্পন্ন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
২৩ জানুয়ারি ২০২১, শনিবার

বিভাগীয় শহর খুলনায় করোনার ভ্যাকসিন সংরক্ষণের সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেঙেও ভ্যাকসিন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন খুলনার সিভিল সার্জন। খুলনা জেলায় করোনার ভ্যাকসিন সংরক্ষণের ক্ষমতা রয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ডোজ। প্রথম ধাপে খুলনায় ৯৭ হাজার ৩১ হাজার ভ্যাকসিন আসবে। পরবর্তীতে প্রতি মাসে পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিন আসবে এবং তা দক্ষ প্রশিক্ষণকর্মী দ্বারা নির্ধারিত স্থানে নির্ধারিত ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন দেয়া হবে। শুধুমাত্র গর্ভবতী ও ১৮ বছরের কম বয়সীরা এই ভ্যাকসিনের আওতায় পড়বে না।
প্রথম পর্যায়ে টিকা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ, জেলা পর্যায়ে হবে সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থানে টিকা প্রদান করা হবে।
খুলনা সিভিল সার্জন অফিস এর তথ্য মতে, খুলনা মহানগরে ১৫টি এবং প্রত্যেকটি উপজেলায় ২টি করে মোট ৩৩টি আইএলআর রয়েছে, প্রতিটি আইএলআর-এ ৭ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন রাখা যাবে। সব মিলিয়ে খুলনা জেলায় মোট ২ লাখ ৩১ হাজার ডোজ টিকা রাখা যাবে। প্রথম পর্যায়ে নির্ধারিত ফরম পূরণে অ্যাপসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে টিকা দেয়া হবে স্বাস্থ্যকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরাঙ্গনা, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক, আনসার, বিজিপি, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, মিডিয়াকর্মী ও বয়োজ্যেষ্ঠদের।
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, পর্যায়ক্রমে আমরা খুলনার প্রত্যেকটা মানুষকেই ভ্যাকসিন দেবো।
যেহেতু আমাদের চাহিদা অনেক কিন্তু সরবরাহ কম এজন্য সবাইকে না দিয়ে সরকার নির্ধারিত ব্যক্তিদেরই টিকা দেয়া হবে। সিটি করপোরেশন এবং মহানগরসহ উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেঙেও করোনার ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা যাবে। সেখানে আগে থেকেই আইএলআর এর মাধ্যমে ওই তাপমাত্রায় ভ্যাকসিন সংরক্ষণ হতো। করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন সরিয়ে তা খালি করা হচ্ছে। করোনা ভ্যাকসিন আসার সঙ্গে সঙ্গে তা সংরক্ষণ করা যায়।
স্বাস্থ্যকর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হাসপাতাল ভিত্তিক টিকা দেয়া শুরু হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকার আওতায় যারা থাকবে এবং যাদের টিকা দেয়া হবে এসব তথ্য স্থানীয়ভাবে অনলাইনে মাইক্রো প্লানিং অ্যাপসে আপলোড দেয়া হবে। এতে যে কেউ এ তথ্য জানতে পারবে বলে সিভিল সার্জন জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর