× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শুক্রবার
আওয়ামী লীগ প্রার্থী শ্রীধামের সংবাদ সম্মেলন

‘নেতাকর্মীদের বিরোধিতায় নৌকার পরাজয় হয়েছে’

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে
২৪ জানুয়ারি ২০২১, রবিবার

পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীরা কালো টাকা ও মাদকের মাধ্যমে ভোটারদের আকৃষ্ট করার কারণেই নৌকার পরাজয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী। শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী শ্রীধাম দাশ গুপ্ত। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগে করেন, পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন দুই জন। এদের মধ্যে পংকজ কুমার সাহা মদের ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তিনি কালো টাকা দিয়ে ভোট কিনেছেন। এছাড়া টোকেন দিয়ে বিনামূল্যে মাদক সরবরাহ করেছেন বিভিন্ন ভোটারদের। দলের অন্য বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ মুসলিম ও পেশি শক্তির বলে ভোটারদের বাধ্য করেছেন তাকে ভোট দিতে। এছাড়া কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে দলীয় নেতাদের আঁতাত করার কারণে অনেকে নৌকায় ভোট দেননি।
যার ফলে নৌকার পরাজয় হয়েছে। তিনি বলেন, ঘরের শত্রু বিভীষণ, বিদ্রোহী প্রার্থী, কালো টাকার ছড়াছড়ি, টোকেনের মাধ্যমে বিদ্রোহী বিনামূল্যে মদ বিতরণ, হোটেল-রেস্তোরাঁয় ভুড়ি ভোজ, শাড়ী, লুঙ্গি ও শীতবস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করে আমাকে পরাজিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৯০ ভাগ নেতা-কর্মী গোপনে অন্য প্রার্থীর কালো টাকায় বিক্রি হয়ে গেছেন। কোন কোন আওয়ামী লীগ নেতা তাদের আত্মীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিজয়ী করতে বিরোধী প্রার্থীর সাথে সমঝোতা করে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। জেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার সাহসে বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। অনেকে আছেন দলীয় পদ ঠিক রাখতে নৌকার প্রচারণায় অংশগ্রহণ করলেও ভিতরে ভিতরে তারা বিরোধিতা করেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদ্রোহী প্রার্থী পংকজের পক্ষের হবিগঞ্জের বিপ্লবসহ কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক মানহানিকর পোস্ট দিয়ে আমাকে হেয় করেছে। এতে ভোটারদের মাঝে বিরুপ প্রভাব পড়েছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেন্দ্র অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সংবাদ সম্মেলনে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগ নেতা রাখাল চন্দ্র ঘোষ।

উল্লেখ্য, গত ১৬ই জানুয়ারি নির্বাচনে মাধবপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হন ধানের শীষ প্রার্থী। নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান মানিক নির্বাচিত হন। নির্বাচনে মাত্র ৬০২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী শ্রীধাম দাশ গুপ্ত। নির্বাচনে বিএনপির হাবিবুর রহমান মানিক পেয়েছেন ৫০৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী পংকজ কুমার সাহা পেয়েছেন ৪১৮৬ ভোট। অপর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ মো. মুসলিম  পেয়েছেন ৩০৪৯ ভোট।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর