× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ১ মার্চ ২০২১, সোমবার

এমসি’র ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ফের পেছালো

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
২৮ জানুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার

সিলেটে ফের পেছালো এমসি’র ছাত্রাবাসে দলবেঁধে ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। বাদীপক্ষ চাচ্ছেন- এই ঘটনায় দায়ের করা গণধর্ষণ ও ছিনতাইয়ের ঘটনার দু’টি মামলার বিচার একই আদালতে শুরু করতে। এই কারণে তারা ছিনতাই মামলাটিও সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের আবেদন জানিয়েছিলেন। এই আবেদন আদালতের বিচারক মুহিতুল হক চৌধুরী খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি আদেশ দিয়েছেন- ধর্ষণের ঘটনায় পৃথক দু’টি মামলা একই আদালতে চলবে না। তবে ধর্ষণ মামলাটি আদালতে চলমান থাকবে। সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ঘটনায় দু’টি চার্জশিট দাখিল করেছিল পুলিশ। এর মধ্যে একটি অভিযোগ আনা হয়েছে গণধর্ষণ ও অপরটি মারধর করে ছিনতাই।
এ দু’টি মামলা এখন সিলেটের দু’টি আদালতে চলমান রয়েছে। গণধর্ষণ মামলাটি সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চলমান। এই মামলাটির চার্জগঠন  করে আদালত সাক্ষী পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। কিন্তু বাদীপক্ষ দুই তারিখে সাক্ষীদের আদালতে উপস্থিত করেননি। এ কারণে গ্রহণ করা যায়নি সাক্ষীদের সাক্ষ্য। গতকাল বুধবার নির্ধারিত মামলার নির্ধারিত তারিখ থাকার কারণে আসামিদের আদালতে উপস্থিত করা হয়েছিল। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আদালতে নিয়ে আসা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন- ‘দুটি মামলার বিচার একই আদালতে শুরু করতে আমরা আবেদন করেছিলাম। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করে ধর্ষণ মামলার বিচার আদালতে চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন। এজন্য আমরা হাইকোর্টে পিটিশন দাখিল করে দু’টি অভিযোগপত্রের বিচার একই আদালতে চলার জন্য আবেদন করবো।’ এদিকে- আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন জানিয়েছেন- বাদীপক্ষের আবেদনে আদালত অনুমতি দেননি। বাদীপক্ষ হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেছেন। বুধবার আদালতে কোনো সাক্ষী উপস্থিত হয়নি বলে জানান তিনি। গত ২৫শে সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে এমসি কলেজের ছাত্রলীগের কর্মীরা। এ ঘটনায় তার স্বামী বাদী হয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহ্‌পরাণ থানায় মামলা হলে গত বছরের ৩রা ডিসেম্বর মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহ্‌পরাণ থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। চার্জশিটে সাইফুর রহমান, শাহ্‌ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দলবেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামি রবিউল ও মাহফুজুরকে ধর্ষণে সহায়তা করতে অভিযুক্ত করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর