× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার
র‌্যাবের ব্রিফিং

আওয়ামী লীগের সভামঞ্চে গ্রেনেড ছুড়েছিল ইকবাল

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বুধবার

রাজধানীর দিয়াবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ইকবাল হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর ওরফে সেলিম ২১শে আগস্ট আওয়ামী লীগের সভামঞ্চে নিজেই গ্রেনেড ছুড়েছিল। সেলিম ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং হরকাতুল জিহাদের সদস্য ছিল। সে দীর্ঘদিন ধরে তার সঠিক পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে ছিল। গতকাল ভোরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে রাজধানীর দিয়াবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী এসব কথা বলেন।
র‌্যাব জানায়, ২০০৪ সালে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় অংশ নেয়ার পর ঝিনাইদহে চলে যান ইকবাল। কয়েক মাস বাড়িতে থাকার পর সে আত্মগোপনে চলে যায়। আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সে কখনো নিরাপত্তাকর্মী, কখনো রিকশাচালক, কখনো মেকানিক হিসেবে নিজের নাম পরিবর্তন করে কাজ করেছিল।
২০০৮ সালে সে মালয়েশিয়ায় চলে যায়। প্রবাসে আত্মগোপন থাকাবস্থায় প্রথমে সেলিম এবং পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর নাম ধারণ করে। একপর্যায়ে সে প্রবাসে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত হলে তাকে ২০২০ সালের শেষের দিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
তিনি আরো বলেন, ঝিনাইদহের স্থানীয় এক জঙ্গি সদস্যের মাধ্যমে সে হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশে (হুজিবি) যোগ দেয়। ২০০৩ সালে মুফতি হান্নান ও অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের সান্নিধ্যে চলে আসে। সে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিতে থাকে। ২০০৮ সালে আগস্ট মাসে মুফতি হান্নানের নির্দেশে ঢাকায় চলে আসে এবং গোপন আস্তানায় অবস্থান করতে থাকে। সেখানে হুজিবি নেতা মুফতি হান্নানসহ অন্যান্য সমমানদের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়। মুফতি হান্নানের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে দলীয় গোপন বৈঠকে অংশগ্রহণ করতো।
মহাপরিচালক আরো বলেন, এই চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতো র‌্যাবও তৎপরতা অব্যাহত রাখে। ইতিপূর্বে র‌্যাব ২০০৫ সালে জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নান ও তার ভাই মুহিবুল্লাহ ওরফে মফিজ ওরফে অভিকে গ্রেপ্তার করেছিল। এ ছাড়াও এই মামলার সংশ্লিষ্টতায় ২০০৭ সালে ১৬টি আরজিএস গ্রেনেড উদ্ধারসহ এ পর্যন্ত ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তিনি আরো বলেন, মুফতি হান্নানের নির্দেশে সে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে। মুফতি হান্নান হামলা পরিচালনার জন্য তাকে গ্রেনেড সরবরাহ করেছিল। সে আরো উল্লেখ করে যে, হামলা চলাকালীন সময়ে সে মঞ্চকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার, র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালনক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর