× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

ক্রাইস্টচার্চে যেভাবে দিন কাটছে টাইগারদের

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শুক্রবার

নিউজিল্যান্ডের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বুধবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায় ক্রাইস্টচার্চ পৌঁছে টাইগাররা। ক্রাইস্টচার্চে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদদের বর্তমান ঠিকানা, ‘শ্যাডো বাই পার্ক হোটেল।’ বাংলাদেশের ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি দলের জন্য কিউইরা কঠোর কোভিড-১৯ প্রটোকল প্রয়োগ করেছে। সেই প্রটোকলে প্রথম ছয়দিন হোটেল থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
গতকাল ক্রাইস্টচার্চ থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম বলেন, ‘এখন পুরো দল ক্রাইস্টচার্চের পাঁচতারকা ‘শ্যাডো বাই পার্ক’ হোটেলে অবস্থান করছে। ক্রিকেটারদের রুমের বাইরে রেস্টুরেন্ট, ডাইনিং, সুইমিংপুল এমনকি লবিতেও যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সেখানে সব ক্রিকেটার আপাতত নিজ নিজ রুমে আটকা। কেউ কোথাও বের হতে পারছে না। ক্রিকেটারদের খাওয়া-দাওয়াও হোটেল রুমে।
হোটেল স্টাফরা প্রত্যেক ক্রিকেটার, কোচিং, সাপোর্টিং স্টাফ- সবার ঘরের বাইরে খাবার রেখে যায়। মুখে মাস্ক পরে সেই খাবার নিতে রুম থেকে বের হতে হয়।’
বিসিবি মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম জানিয়েছেন, গতকাল কোভিড-১৯ এর একদফা টেস্ট হয়েছে টাইগার ক্রিকেটারদের। আগামী ৫ দিনে (নিউজিল্যান্ডে পা রাখার পর থেকে ষষ্ঠ দিনে) আরও দুই দফা করোনা টেস্ট দিতে হবে তামিম, মুশফিক, রিয়াদদের। মানে এক সপ্তাহ পুরো হওয়ার আগেই ৬ দিনে ৩বার করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক। বলার অপেক্ষা রাখে না, প্রতিটি ক্রিকেটারের ওই তিন টেস্টেই নেগেটিভ রিপোর্ট আসা জরুরি। ৬ দিনে তিনবার নেগেটিভ হলেই কেবল সপ্তম দিনে হোটেলে জিমওয়ার্ক করার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা এবং অষ্টম দিনের মাথায় অনুশীলন করার সুযোগও মিলবে।
তবে পুরো দল এক সঙ্গে নয়, ৫ জন করে গ্রুপে ভাগ হয়ে অনুশীলন করতে পারবেন ক্রিকেটাররা। আর ১২তম দিবসে গিয়ে চতুর্থবারের মতো করোনা টেস্ট দিতে হবে পুরো দলকে। সেই টেস্টে নেগেটিভ হলেই ১৪তম দিন থেকে ফ্রি হয়ে যাবে পুরো দল। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৯ মার্চ পুরো দল একসঙ্গে প্র্যাকটিস করতে পারবে। আগামী ২০শে মার্চ মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম ম্যাচ।
নিউজিল্যান্ডে বিশেষ ট্রাউজার পরে খেলবে বাংলাদেশ দল
কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ক্রিকেট বলে খেলোয়াড়দের লালা বা থুতুর ব্যবহার নিষিদ্ধ যে কারণে এখন বলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে বেগ পেতে হচ্ছে। পুরোনো বলে রিভার্স সুইং আদায়ে বেশ কষ্টই হচ্ছে বোলারদের। তবে উপায় বের করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে বিশেষ ধরনের ট্রাউজার পরে খেলবে টাইগাররা। সাধারণ কাপড়ের চেয়ে ভিন্ন হবে থাইল্যান্ড থেকে আনা কাপড় দিয়ে বানানো এ ট্রাউজার। এমন ট্রাউজারে ঘষে বলের উজ্জ্বলতা বেশি সময় ধরে রাখা যায়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ ঘরের মাঠের সিরিজ থেকেই এ বিশেষ ট্রাউজার ব্যবহারের প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। তবে সেটি বাস্তবায়িত হয়নি। মূল ম্যাচের বদলে অনুশীলনের জন্য টাইগারদের এ বিশেষ ট্রাউজার সরবরাহ করেছিল জাতীয় দলের জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টস এন্ড স্পোর্টস।
অনুশীলনে খেলোয়াড়দের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর এবার নিউজিল্যান্ড সফরে মূল ম্যাচের জন্য এ ট্রাউজার তৈরি করে দিয়েছে স্পোর্টস এন্ড স্পোর্টস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী মেহতাবউদ্দিন সেন্টু। তিনি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুশীলনের জন্য আমরা এ বিশেষ ট্রাউজার দিয়েছিলাম। খেলোয়াড়রা সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তাই নিউজিল্যান্ডে আমরা মূল ম্যাচের জন্য এ ট্রাউজার দিয়েছি। এই নিউজিল্যান্ড সফরের পর খেলোয়াড়দের কাছ থেকে ফিডব্যাকের অপেক্ষা করবো আমরা। জিনিসটা ভালো হলো কি না, বা কেমন হলে ভালো হতো- এমন ফিডব্যাক পেলে বুঝতে পারবো যে আমরা যেমনটা আশা করেছিলাম তেমন হয়েছে কি না।’
বলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার বিষয়টা টেস্ট ক্রিকেটে বেশি জরুরি। নিউজিল্যান্ড সফরে সাদা পোশাকের সিরিজ না থাকলেও, আগামী এপ্রিলে শ্রীলঙ্কা গিয়ে টেস্ট খেলার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশ দলের।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর