× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

ভারতে নতুন তথ্যপ্রযুক্তি আইন, লাগামছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াকে বাঁধা হল আইনের জালে

ভারত

বিশেষ সংবাদদাতা, কলকাতা
(১ মাস আগে) ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১, শুক্রবার, ৯:৫০ পূর্বাহ্ন

ভারতে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর, রুচিহীন, অন্যকে অযথা আক্রমণ করার দিন শেষ। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বৃহস্পতিবার নতুম আইটি আক্ট ২০২১ চালু হওয়ার কথা ঘোষণা করেন। রাতে কেন্দ্রীয় সরকার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নতুন আইটি আক্ট-এ দেশের সব সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওটিটি প্লাটফৰ্মকে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনা হয়েছে।  ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার প্রভৃতি আত্মর্জাতিক সোশ্যাল মিডিয়াকেও জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে তারাও এই ভারতীয় আইনের আওতায় আসবে। এই সব আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম ব্যবহার করে কুৎসা, মেয়েদের  সম্পর্কে আপত্তিকর ভিডিও, নেতিবাচক প্রচার কেউ চালালে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উৎস জানাতে বাধ্য থাকবে এই আন্তর্জাতিক সোশ্যাল মিডিয়া গুলি। এছাড়াও ৩৬ ঘন্টার মধ্যে মুছে ফেলতে হবে এই পোস্ট। ভারতে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যাক্তিগত স্তরে ব্যবহার করতে পারে যে কেউই কিন্তু টেলিভশনের মতো কেন্দ্রীয় তথ্য মন্ত্রণালয় অথবা সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে রেজিস্টার অফ নিউজপেপার্স এর মতো কেন্দ্রীয় সম্প্রচার মন্ত্রকে নথিভুক্ত হতে হবে।  দেশি-বিদেশি সব সোশ্যাল মিডিয়া অথবা ওটিটি  প্লাটফর্মকে প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার গাইডলাইন মেনে কাজ করতে হবে। ভারতে বর্তমানে ৫৯ কোটি লোক ফেসবুক ব্যবহার করেন।
আন্তর্জাতিক সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে ফেসবুক ব্যাবহারকারীর সংখ্যা সর্বাধিক। ফেসবুকের পক্ষ থেকে এই আইন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে সংস্থাটি সবসময় ল অফ দ্য ল্যান্ডকে মেনে চলে। এক্ষেত্রেও তারা নতুন আইনের অনুসারী হবে। নতুন আইটি আইনে সোশ্যাল মিডিয়াকে আরো বেশি আকাউন্টেবল করতে কিছু ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
sdd
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শুক্রবার, ৩:১৯

ইউ টিউবে যত ফেক নিউজ চ্যানেল রয়েছে, সেগুলো বন্ধ করা জরুরি।

অন্যান্য খবর