× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার
কলকাতা কথকতা

আব্বাস ভুল করছে, তৃণমূলকে হারানো সম্ভব নয়: তহ্বা সিদ্দিকী

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা
(১ মাস আগে) ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১, শনিবার, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

সম্পর্কে তিনি আব্বাস সিদ্দিকীর কাকা। ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা। আব্বাস সিদ্দিকীর ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট  রাজনীতিতে আসার আগে তিনিই ছিলেন ফুরফুরার রাজনৈতিক মুখ। সক্রিয় রাজনীতি কোনোদিন করেননি। কিন্তু  বাঙালি মুসলমানদের ওপর তার প্রভাব ছিল অপরিসীম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তহ্বা সিদ্দিকীর ওপর ভর করে ২৭ অথবা মতান্তরে ৩০ শতাংশ  মুসলিম ভোটের অনেকটাই পেয়েছেন এর আগে। সেই তহ্বা সিদ্দিকী মানবজমিনকে  শনিবার জানালেন- আব্বাস ভুল করছে। বাম বা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে কিছু লাভ হবেনা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে  অপসারণ করা সম্ভব হবেনা। যে উন্নয়নের কাজ মমতা করেছেন তার আশীর্বাদ তিনিই পাবেন। তহ্বা সিদ্দিকী মনে করেন আসাদউদ্দীন ওয়াইসির মিম এর সঙ্গে যদি আব্বাসের ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট জোট বাঁধে সেটা আরো ভুল হবে।  কারণ অবাঙালি মুসলমানের দলকে এই রাজ্যের মুসলিমরা মেনে নেবেন না। তার অভিমত, তাদের পীর বংশ কখনও রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেনি। আব্বাস রাজনীতিতে এসে ভুল করেছে। তহ্বা সিদ্দিকী তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিফ নেওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি ফুরফুরা শরীফ এবারের ভোটে দ্বিধাবিভক্ত?

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আমজাদ হুসেইন
১১ মার্চ ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:২৬

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিম বাংলার মুসলমানদের জন্য লাস্ট লাইন অফ ডিফেন্স। এই মহিয়সি মহিলাকে সরানোর জন্য কিছু মুসলিম নামধারী গাদ্দার মোদির বি-টিম হিসাবে মাঠে নামছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, শনিবার, ৫:৪৮

ইংরেজি ভাষা শিক্ষার বিমুখতার জন্য ভারতীয় মুসলমানদের মুল্য দিতে হয়েছে ঠিক তেমনি রাজনীতি বিমুখতার জন্যেও চরম মুল্য দিতে হয়েছে। ফুরফুরা দরবার শরীফের উত্তরাধীকারীদের উচিত নিরেট একটা ইসলামী রাজনৈতিক উইং লঞ্চ করা। কোনো দলের লেজুর বৃত্তি করা নয়। ত্বাহা সিদ্দিকি সাহেবের মন্তব্য এতো টুকু বলবো ভাষা, বর্ন, গোত্র ইসলামী দল বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য বাধা নয়। এই ধরনের জাতীয়তা মন্ত্রনের অবকাশ ইসলামে নাই। ধন্যবাদ।

অন্যান্য খবর