× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

হত্যা মামলায় গ্রামছাড়া ২৫ পরিবার, বাড়ি-ঘর লুট

বাংলারজমিন

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, রবিবার

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আকতার গাজী হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ২৫টি পরিবার গ্রাম ছাড়া রয়েছে। তাদের অবর্তমানে বাড়ি-ঘর লুট ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন থাকলেও দুর্বৃত্তরা একের পর এক ঘর লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। সরজমিনে উপজেলার আট্রাবাড়ী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, মাহাবুব গাজী, মন্টু গাজী, বাদল গাজী, কিবরিয়া গাজী, আজিজুল গাজী ও সাহাদৎ গাজীর ঘরসহ ২৫টি ঘরের তালা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ঘরের ভিতরে ছড়িয়ে ছিটেয়ে পড়ে রয়েছে বিছানাসহ ভাঙ্গা আসবাবপত্র। ঘরের বেড়া ও জানালা দরজা কুপিয়ে ভেঙে দেয়া হয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, গত ২০শে ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আট্রাবাড়ী গ্রামের সামছুল হক গাজীর ছেলে আকতার গাজী প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়। পরের দিন হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে ২৬ জনকে আসামি করে কোটালীপাড়া থানায় একটি মামলা করা হয়।
এ সময় হত্যা মামলার আসামিরা পুলিশের গ্রেপ্তার থেকে রক্ষা পেতে ঘরে তালা লাগিয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নেন। এই সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে এলাকার দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে ঘরের তালা ভেঙে সমস্ত আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে পার্শ্ববর্তী এক গ্রামে আশ্রয় নেয়া তাছেন গাজীর ছেলে সোহরাব গাজী (৬০) জানান, এলাকার ওহাব আলী গাজীর ছেলে মশিউর গাজীর নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত প্রতিনিয়ত রাতে আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে সমস্ত কিছু লুট করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আমি কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ করেও কোনো সুফল পাইনি। কোটালীপাড়া থানার ওসি আমার অভিযোগ গ্রহণ করেনি। এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ লুৎফর রহমান বলেন, আকতার গাজী হত্যার পর পরই ওই এলাকায় কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। এলাকার পরিবেশ শান্ত রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর