× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

নানা জল্পনা-কল্পনা আর শঙ্কার নির্বাচন আজ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ থেকে
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, রবিবার

নানা জল্পনা-কল্পনা আর শঙ্কার মধ্য দিয়ে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আলোচিত হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন। জেলা সদরের এ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি’র একক প্রার্থী হলেও আলোচনায় নেই ধানের শীষ। আওয়ামী লীগের নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়েই চলছে আলোচনা-সমালোচনা। আর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যেই। তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম ও বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান দু’জনই এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। তবে নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের দাবি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। এ জন্য নেয়া হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ভোটাররা জানান, এবারের পৌরসভা নির্বাচনকে প্রেস্টিজ ইস্যু হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ।
যার জন্য এ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বাঘা বাঘা একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া দলীয় প্রার্থী জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট আবু জাহির সর্বশক্তি দিয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে দিনরাত কাজ করছেন। অন্যদিকে যুবলীগ সভাপতি হিসেবে আতাউর রহমান সেলিম জেলায় জনপ্রিয় হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরাও তার জন্য নিয়মিত কাজ করছেন। সর্বোচ্চ শ্রম ও প্রভাব খাটিয়ে বিজয় নিশ্চিত করতে দিনরাত প্রচারণা চালিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এছাড়া প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম শহরের প্রভাবশালী রীচি এলাকার হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবও রয়েছে তার। সবমিলিয়ে নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে মরিয়া তার কর্মী-সমর্থকরা। তাদের মতে, যেভাবেই হোক এবার বিজয় নিশ্চিত করতেই হবে।
অন্যদিকে, বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজানও শহরের আরেক প্রভাবশালী এলাকা উমেদনগরের বাসিন্দা। গত নির্বাচনে তার শত শত কর্মী-সমর্থকদের পদচারণায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শহর। অন্যদিকে, বিএনপি’র একটি অংশও তাকে সমর্থন করছেন বলে দাবি তার কর্মী-সমর্থকদের। অন্যদিকে, বিগত নির্বাচনের পর থেকে পৌরসভায় নিজস্ব বেশকিছু ভোটার তৈরি করেছেন বলে তাদের দাবি। তিনিও সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হতে কাজ করছেন। তবে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় আওয়ামী লীগ দলীয় পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরেও নিজের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দিনরাত কাজ করছেন তিনি। তাদের দাবি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে অবশ্যই বিজয়ী হবেন। তবে তার নির্বাচনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে সরকার দলীয় প্রার্থী পুলিশ দিয়ে তার কর্মী-সমর্থকদের ধরপাকড় করে হয়রানি করছেন বলে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি অভিযোগ করেছেন। তারপরেও সকল বাধা উপেক্ষা করে তিনি কাজ করছেন। যেকোন অপশক্তির প্রভাব রুখতে তিনিও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে তার কর্মী-সমর্থকরা জানিয়েছেন।
এদিকে, প্রভাবশালী দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে কিনা এ নিয়ে অনেকটা শঙ্কায় রয়েছেন সাধারণ ভোটাররা। বিষয়টি মাথায় রেখে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে প্রশাসন। বিশেষ করে নির্বাচনের দিন শহরে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে বলে জানা গেছে। সাধারণ ভোটারদের দাবি প্রশাসন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাতে শান্তিপূর্ণ ভোট প্রদান নিশ্চিত করে। আজ পঞ্চম ধাপে হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন ৬ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম, বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, বিএনপি’র এনামুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের সামসুল ইসলামসহ ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিত্বন্দ্বিতা করছেন। এ পৌরসভার ৫০ হাজার ৯শ’ ৩ জন ভোটার ২৪টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোট প্রয়োগ করবেন।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর