× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার

ঢাকা উত্তরে মশা মারবে ড্রোন

এক্সক্লুসিভ

নূরে আলম জিকু
১ মার্চ ২০২১, সোমবার

গত কয়েক মাসে রাজধানীতে মশার প্রকোপ বেড়েই চলেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন চতুর্থ প্রজন্মের লার্ভিসাইড কীটনাশক ‘নোভালোরন’ প্রয়োগ করেও মশা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়নি। কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিটি করপোরেশনের অনেক গাফিলতি রয়েছে। এর মূল কারণ হচ্ছে মশককর্মীদের দায়িত্বে অবহেলা। যেসব স্থানে মশার বংশবিস্তার হয় সেসব স্থানে তারা কীটনাশক প্রয়োগ করছেন না।
জানা যায়, রাজধানীতে শীতের মৌসুম থেকে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মশা পচা পানি ও বিভিন্ন ঝোপঝাড়ে প্রজনন করে থাকে।
মশককর্মীরা সেসব স্থানে কীটনাশক ছিটাতে পারেন না। ফলে মশা লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এরই মধ্যে বিকল্প পন্থা হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মশা নিয়ন্ত্রণে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এবার মশককর্র্মীদের পাশাপাশি কীটনাশক ছিটাবে ড্রোন। ডিএনসিসি’র বিভিন্ন এলাকায় পরীক্ষামূলক এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, জলাশয় থেকে মশার বিস্তার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেসব জলাশয়ে সনাতন পদ্ধতিতে ওষুধ ছিটানো সম্ভব হচ্ছে না, সেসব জায়গায় ড্রোনের সাহায্যে কীটনাশক ছিটানো হবে। দেশীয় তৈরি ড্রোনের সাহায্যে প্রতি মিনিটে ৫ লিটার ওষুধ ছিটাতে সক্ষম হবে। এই উদ্যোগ সফল হলে অল্প সময়ে মশা নিধন করা সম্ভব হবে। এতে ডিএনসিসি’র জনবল ও আর্থিক খরচ হ্রাস পাবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার মানবজমিনকে বলেন, বড় ডোবা ও জলাশয়ে মশককর্মীরা ওষুধ ছিটাতে পারছেন না। এক্ষেত্রে ড্রোনের সাহায্যে সব জায়গায় ওষুধ প্রয়োগ হলে সিটি করপোরেশন সুফল পাবে। তবে  ড্রোন সিস্টেম কতোদিন চলমান থাকে সেটি দেখার বিষয়। ডোবা ও জলাশয়ের মশার বিস্তার নিধন করতে হলে এটিকে অব্যাহত রাখতে হবে। তবে ড্রোনের সাহায্যে কীটনাশক শুধু জলাশয়ই ব্যবহার করা উচিত। লোকালয়ে এটি ব্যবহার হলে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়েদুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছি। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানী লেকে এর সাহায্যে ওষুধ স্প্রে করেছি। গত কয়েকদিনে বনানী লেকের আশপাশ এলাকায় ফলোআপ করেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এই সিস্টেমটি কাজে আসছে। এখন আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। শিগগিরই যেসব স্থানে মশককর্মীরা ওষুধ ছিটাতে পারছেন না সেসব স্থানে ড্রোন কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, মশা নিধনে সিটি করপোরেশন গত ২০ থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই সময়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়েছে। আগামী ৮ থেকে ১৬ই মার্চ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় আবারো বিশেষ মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
salimuzzaman salim
১ মার্চ ২০২১, সোমবার, ৭:১৩

We are very much disappointed for the failure of control mosquito. Life became missarable. Kids can't study for mosquito. Even we can not do our regular activities at home.its untolerable situation .its a total failure of administration.

Shaheed S Hasan
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, রবিবার, ৯:৪৬

জাহান্নামে যাক পরিবেশ। আগে মানুষ বাঁচান তারপর পরিবেশ। তাছাড়া ওষুধ তো আর সারাজনম দেবেনা। কদিনের জন্যে সব কিছু সইতে রাজি আছি কিন্তু মশার বংশ নিরমুল করতেই হবে। মশা মারতে হলে আকাশ থেকে প্লেন দিয়ে ওষুধ ছড়ানো ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। এতে হয়ত অনেক পরিবেশবাদীরা বা ডাক্তাররা নানারকম কথা বলতে পারে যে এটা হবে ওটা হবে, ওষুধ দিলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে যাবে কিন্তু মশার কামড় খেয়ে তো লোকে অসুস্থ হচ্ছে। সেখানে আমার মনে হয় যে বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্রতর ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতেই হবে। মশাকে মারতে হলে আকাশ থেকে মারা ছাড়া কোন ভাবেই মশাকে নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে না। আমাদের জীবনকে একদম নষ্ট করে দিয়েছে এই মশা। আমাদের জীবনে মধ্যে কোন আনন্দ নেই, কোন জায়গায় বসা যায়না। এমনকি নিজের বাসার সব দরজা জানালা বন্ধ করেও মশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া জায়না। সব জায়গাতেই মশা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই নির্দেশ আপনাকে একাই দিতে হবে। মানুষের কথা শুনবেন না কারন আপনার সাফল্য কেউ সহ্য করতে পারেনা।সেজন্য আপনার, একান্তই আপনার কড়া নির্দেশ থাকতে হবে যে মশা মারতে হবে আকাশ থেকে। আপনি আমাদেরকে বাঁচান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন যে মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর হচ্ছে, এডিস মশার কামড় খেয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা ভালো করলেও বলবে খারাপ করলেও বলবে। মশার কামড়ের চোটে মনে হয় এর থেকে বড় ক্ষতি হবে না। ধান বা ফসল নষ্ট হবে না গাছ-গাছালির কিছুই হবে না শুধু মরবে মশা আর এখনকার মশার ওষুধ অনেকভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে সাধারণত গাছ বা পরিবেশের ক্ষতি করেনা। এই নতুন কিট বা মশানাশক শুধু মশাকেই টার্গেট করে। আমাদের জন্য সবচে' ভালো হবে সেটা হলো যে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের আমাদের মশা মারতেই হবে। মশার কামড়ে বাচ্চাগুলো আর বয়স্ক মানুষদের সব থেকে বেশি কষ্ট হয়। মশার ওষুধে কিছুটা প্রবলেম হতে পারে অনেকের কিন্তু আমি মনে করি এটা মশার কামড়ের কষ্টের চেয়ে বেশিনা। মশার কামড় যে মুহূর্তে ঢাকাতে প্লেন নামে, সেই মুহূর্ত থেকে মশা কামড় শুরু করে এয়ারপোর্টে। দাঁড়িয়ে থাকা যায়না। এয়ারপোর্টে বিদেশীদের কাছে আমাদেরকে প্রচুর লজ্জায় পড়তে হয়. সেজন্যেই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঢাকা এবং ঢাকার আশেপাশের সব জায়গাতে আকাশ থেকে বিমান দিয়ে ওষুধ দিতে হবে এক্ নাগাড়ে মনে আছে আকাশ থেকে তিনদিন/চারদিন এবং পরবর্তী এক মাস নিয়মিত দইতে হবে। তবেই মশা মরবে।

z Ahmed
১ মার্চ ২০২১, সোমবার, ৯:৩৫

এটাহো মাশা মার্থে কামান দাগাই। আপনি ড্রোন দিয়ে মাশা মারতে পারবেন না। এটি কেবল একটি প্রচার।

advocate iqbal akhte
১ মার্চ ২০২১, সোমবার, ৮:২৩

ebar drpn kenar dhanda korce uttorwer ghus khor ra .asole osud ace procur curi kore bajare bikri kore koti koti taka income korce ei citi corporation er osadhu chor dakat rai ei dron pron die kissu hobe na

অন্যান্য খবর