× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

খুলনা কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের ১০ নতুন নির্দেশনা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
২ মার্চ ২০২১, মঙ্গলবার

খুলনা জেলা কারাগারের বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ১০ দফায় নতুন নিয়মাবলী জারি করেছে কারাগার কর্তৃপক্ষ। গতকাল থেকে নতুন এ নির্দেশনাবলী কার্যকর করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বিষয়টি ‘খুলনা ডিস্ট্রিক্ট জেল’ নামক খুলনা জেলা কারাগারের ফেসবুক আইডিতেও আপলোড করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ বলেছেন, করোনাকালীন সংকটের কারণেই নতুন এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। যা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। আর এ নির্দেশনার মধ্য দিয়ে স্বজনরা দীর্ঘ প্রায় এক বছর পর বন্দিদেও সঙ্গে কারাগারে দেখা করার সুযোগ পাবেন।
নতুন নিয়মাবলীতে উল্লেখ করা হয়, সাধারণ সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বন্দিদের মামলা পরিচালনা ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকল্পে ১৫ দিনে একবার সাক্ষাৎ করানো হবে। জেএমবি, সন্ত্রাসী, রাষ্ট্রবিরোধী, দুর্ধর্ষ/নৃশংস অপরাধী, শীর্ষ সন্ত্রাসী, যুদ্ধাপরাধী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের ৩০ দিনে একবার দেখা করানো হবে (সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য যেমন- মা-বাবা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ভাই-বোন এবং স্বামী-স্ত্রী, সন্তান) এই সুযোগ পাবেন। শুধুমাত্র একজন সাক্ষাৎপ্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করানো হবে।
প্রত্যেক বন্দিকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোনো সাক্ষাৎ করানো যাবে না (নো মাস্ক, নো এন্ট্রি এবং নো মাস্ক, নো সার্ভিস)।
আরো উল্লেখ করা হয়, আগত সকল প্রার্থীকে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সাক্ষাতের পূর্বে প্রত্যেক বন্দিকে হাত, মুখ ধুয়ে সাক্ষাৎকার কক্ষে প্রবেশ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ ১০ মিনিট সময় সাক্ষাতের জন্য সুযোগ থাকবে।
এ ব্যাপারে খুলনা জেলা কারাগারের জেলার মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, করোনার সংকটকালীন প্রথমদিক থেকে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সরাসরি সাক্ষাৎ বন্ধ ছিল। সেক্ষেত্রে ওই দিনগুলোতে স্বজনদের/সাক্ষাৎ প্রার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মনিটরিংয়ে মোবাইলে/টেলিফোনে কথা বলিয়ে দেয়া হতো। যার সময় ছিল সর্বোচ্চ ৫-৮ মিনিট। কিন্তু দীর্ঘদিন সাক্ষাৎ বন্ধ থাকায় সরকারের নির্দেশে নতুন নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে। যাতে সীমিত আকারে হলেও অন্তত স্বজনরা বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর