× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

টিকা কী প্রতিরোধ গড়তে পারবে!

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মার্চ ৪, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:০১ অপরাহ্ন

টিকা কি করোনা ভাইরাস থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখতে পারবে! প্রাকৃতিকভাবে মানুষের মাঝে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করে নির্মূল করতে পারবে করোনা ভাইরাসকে! এমন প্রশ্ন সামনে এসেছে ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের রোগ বিশেষজ্ঞ ক্রিস মারে’র মন্তব্য থেকে। তিনি বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর বিষয়ে যে সতর্কতা দিয়েছিলেন, প্রায় তার কাছাকাছি দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি দেখা গেছে করোনার গতিপথ তার সেই অনুমানকে পাল্টে দিচ্ছে। এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত ক্রিস মারে আশায় ছিলেন যে, বেশ কয়েকটি কার্যকর টিকা আবিষ্কার হয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে এগুলো কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। টিকাদানের মাধ্যমে সংক্রমণ নির্মূল হবে। কিন্তু গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় টিকার পরীক্ষায় প্রাপ্ত ডাটায় দেখা গেছে, করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। আর তা টিকার কার্যকারিতাকে নষ্ট করে দিতে পারে।
এ ছাড়া যারা আগে সংক্রমিত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সৃষ্ট প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আক্রমণ করতে পারে। ক্রিস মারে সিয়াটলভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশনের পরিচালকও। তিনি বলেছেন, পরীক্ষার ডাটা দেখার পর আমি ঘুমাতে পারিনি। নিজে নিজেই তিনি প্রশ্ন করেন, কবে এই মহামারির শেষ হবে?
এ নিয়ে বার্তা সংস্থা সাক্ষাতকার নিয়েছে ১৮ জন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের। তাদের অনেকেই গত বছরে দুটি টিকার বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন। ফাইজার এবং মডার্নার এ দুটি টিকা শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্যকর। এতে তারা আশা করেছিলেন, এই টিকা করোনা ভাইরাসকে ব্যাপক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। কিন্তু সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ব্রাজিলে যে নতুন ভ্যারিয়েন্ট দেখা গেছে তা তাদের সেই আশায় আঘাত করেছে। তারা এখন মনে করছেন করোনা ভাইরাস শুধু আমাদের সঙ্গীই হবে এমন নয়। তা একই সঙ্গে মানুষের মধ্যে অব্যাহতভাবে সংক্রমিত হতে থাকবে। এর ফলে অসুস্থতা ও মৃত্যুর সংখ্যা সামনের বছরগুলোতে বাড়বে। ক্রিস মারে বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকারন ভ্যারিয়েন্ট বা একই রকম ভাইরাস যদি দ্রুততার সঙ্গে বিস্তার অব্যাহত রাখে তাহলে ফ্লুর চেয়ে আগামী শীত মৌসুমে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী বা মৃত্যুর সংখ্যা চারগুন দাঁড়াতে পারে। এতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে মারা যেতে পারেন দুই লাখ মানুষ। তার সংস্থা বর্তমান যে পূর্বাভাস দিয়েছে তাতে ১লা জুন পর্যন্ত তাদের হিসাব বলছে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে মারা যেতে পারেন আরো ৬২ হাজার মানুষ। সারা বিশ্বে এ সময়ের মধ্যে মারা যেতে পারেন ৬ লাখ ৯০ হাজার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর