× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

‘অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হবেন ইমরান খান’

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) মার্চ ৪, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:২০ অপরাহ্ন

সিনেট নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন হারানোর পর অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বুধবার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ ৯৬ আসন বিশিষ্ট সিনেটের ৪৮ আসনে নির্বাচন হয়। এতে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের সদস্যরা দিনভর ভোট দেন। আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার কথা রয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশনের অনানুষ্ঠানিক ফল ইঙ্গিত দিচ্ছে ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই) দল জাতীয় পরিষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে হেরেছে। সেখানে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবদুল হাফিজ শেখকে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন বিরোধী পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ১৬৯ ভোট। অন্যদিকে আবদুল হাফিজ পেয়েছেন ১৬৪ ভোট।
এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা বলছে, এই ফলকে ইমরান খানের পিটিআই পার্টির জন্য একটি বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ফল ঘোষণার পর পিটিআইয়ের নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি রাজধানী ইসলামাবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তিনি সিদ্ধান্ত ঘোষণা দিয়েছেন যে, বিরোধীরা দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আইনপ্রণেতাদের ভোট নিয়েছে। এর প্রেক্ষাপটে ইমরান খান ও তার দল সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হবেন। তখন পরিষ্কার হবে যে, কে কোনপক্ষে রয়েছেন। দেখা যাবে কারা ইমরান খানের পক্ষে আছেন। আর কারা ইমরান খানের বিপক্ষে গিয়ে বিরোধীদের ভোট দিয়েছেন। তারপর তাদের পদ মর্যাদা অনুযায়ী সেভাবে ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার আছে।

ওই আসনটিতে পরাজিত হলেও অনানুষ্ঠানিক ফল অনুযায়ী, ইমরান খানের পিটিআই নির্বাচনে বড় অর্জন করেছে। এর আগে সিনেটে তাদের আসন ছিল ১৪। কিন্তু সেই সংখ্যা বেড়ে এখন দাঁড়াচ্ছে ২৬। তবে বিরোধী দল অল্প ব্যবধানে পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতেও পারে। পিপিপি ২০টি আসন এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ ১৮টি আসন পেতে পারে। মিত্রদের নিয়ে এই দুটি দল মোট ৫৩ আসন পেতে পারে। যদি তাই হয় তাহলে তারা পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পাবে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সিনেটের ৯৬টি আসনে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হন ৬ বছর মেয়াদে। এর মধ্যে অর্ধেক আসনে প্রতি তিন বছর পর পর নির্বাচন হয়। তাদেরকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও পার্লামেন্টের নি¤œকক্ষ জাতীয় পরিষদের সদস্যরা নির্বাচিত করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর