× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

বিএনপি’র ৭ই মার্চের আলোচনা সভা ঘিরে কৌতূহল

প্রথম পাতা

শাহনেওয়াজ বাবলু
৬ মার্চ ২০২১, শনিবার

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। প্রতিদিনই হচ্ছে সভা-সেমিনার। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের দিনও আলোচনা সভা রয়েছে দলটির। এ নিয়ে এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি’র এই কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলটির স্বাধীনতা উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম মানবজমিনকে বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছি। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ই মার্চ আলোচনা সভা হবে। আমরা এই দিনটির তাৎপর্য এবং গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করবো।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির এক সদস্য এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি’র দুই নেতা বলেন, বিএনপি যে কর্মসূচি আগে কখনো করেনি, তা এবার করছে। সেগুলো দেশবাসী বা আওয়ামী লীগ যেন ইতিবাচকভাবে নেয় সেটাই হবে আমাদের প্রত্যাশা।

সম্প্রতি বিএনপি’র এই কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চকে যারা এতদিন নিষিদ্ধ করে রেখেছিল, তারাই এখন ৭ই মার্চ পালন করবে। বিএনপি’র এই সিদ্ধান্তকে আওয়ামী লীগ স্বাগত জানায়। বিএনপি’র এ প্রচেষ্টা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক আবহ তৈরি করবে বলে আমি মনে করি।

গত শনিবার গুলশানে এক মতবিনিময় সভায় একাত্তরের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ অবশ্যই ইতিহাস বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা শুধু ৭ই মার্চ নয়, ২রা মার্চ, ৩রা মার্চ পালন করছি। ২রা মার্চ প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন আ স ম আবদুর রব। এটা স্বাধীনতার ইতিহাসের অংশ। ৩ তারিখ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছেন শাজাহান সিরাজ। এটাকে অস্বীকার করবো কি করে? ঠিক একইভাবে ৭ই মার্চ যে ভাষণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, সেটা অবশ্যই ইতিহাস। অবশ্যই তার মর্যাদা তাকে দিতে হবে। একইসঙ্গে ২৬শে মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যে ঘোষণা জাতিকে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল এবং সমগ্র জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, এটাও ইতিহাস। সুতরাং এগুলো কোনোটাই অস্বীকার করা যাবে না। বিএনপি মহাসচিব বলেন, কাউকেই খাটো করার কোনো রকম ইচ্ছা আমাদের নেই এবং আমরা বিশ্বাস করি সেটা উচিতও না। বিশেষ করে স্বাধীনতার ব্যাপারে প্রকৃত সত্য সবাইকে উদ্‌ঘাটন করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আনিস উল হক
৫ মার্চ ২০২১, শুক্রবার, ৭:৪৪

৭ই মার্চ নিয়ে বিএনপির বিরূপ মন্তব্য করার মত কোনও কারণ দেখা যায়না।তখন বিএনপির জন্মই হয়নি।কিন্তু আজকের বিএনপির অনেক নেতা স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় নেতা ছিলেন।জিয়াউর রহমান সাহেব মুক্তিযুদ্ধের সাথে যুক্ত হলেন ২৬ মার্চের পর।বাঙালিকে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রামে নামার ডাক দিলেন বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চ। বঙ্গবন্ধু কে কেন্দ্রে রেখেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হোল। মুজিবনগর সরকার গঠন করল আওয়ামীলীগ। সেই সরকারের আনুগত্যে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমাণ্ডার হলেন। স্বাধীনতার পর আওয়ামীলীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখায় জিয়াউর রহমানকে বীরউত্তম উপাধি দেয়। বঙ্গবন্ধু জিয়াউর রহমানকে স্নেহের চোখে দেখেছেন।ঐতিহাসিকভাবেই বর্তমান বিএনপির ৭ই মার্চের বিপক্ষে অবস্থান নেয়ার কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায়ন।আর মুজিব বিরোধীতা করার তো কোন প্রশ্নই আসেনা।

শাহ আলম মানিক
৫ মার্চ ২০২১, শুক্রবার, ১২:২৯

সঠিক সিদ্ধান্ত।

অন্যান্য খবর