× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার
এনআইডি জালিয়াতি

উপ-সচিবসহ ৫ নির্বাচনী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

বাংলারজমিন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
৮ মার্চ ২০২১, সোমবার

কুষ্টিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাৎ চেষ্টার অভিযোগ এনে এক উপ-সচিবসহ ৫ জন নির্বাচনী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। গত ৪ঠা মার্চ কুষ্টিয়া মডেল থানা ও কুমারখালী থানায় এই মামলা করেন জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। বিষয়টি রোববার জানাজানি হয়েছে। আসামিদের মধ্যে আছেন, বর্তমানে ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মাগুরা সদরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ছামিউল আলম ও ওই অফিসের অফিস সহকারী জিএম সাদিক।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়ার শহরের ১১০ এনএস রোডের বাসিন্দা এম এম এ ওয়াদুদ ও তার পরিবারের আরো ৫ সদস্যের নাম ও তথ্য ব্যবহার করে ৬ ব্যক্তি জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করে শত কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। সংবাদ মাধ্যমে গত বছরের শেষের দিকে এ সংবাদ প্রকাশ হলে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে। পরে ঘটনা তদন্তে নামে নির্বাচন কমিশন। তদন্তে কুষ্টিয়া জেলা নির্বাচন অফিসের তৎকালীন সময়ে কর্মরত ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততার সুষ্পষ্ট প্রমাণ মেলে। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ওই ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার করার নির্দেশ দেয়।
গত ৪ঠা মার্চ কুষ্টিয়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার আনিছুর রহমান কুষ্টিয়া মডেল থানায় বর্তমানে ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে কর্মরত উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মাগুরা সদরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের অফিস সহকারী জিএম সাদিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। একই ঘটনায় বাদী কুমারখালী থানায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ছামিউল আলমের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা করেছেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন ২০০৯ ধারা ২০, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ১৭ ও ১৮, দি পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪২০, ৪৬৮ ও ১০৯ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৪, ৩৩ ও ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

কুষ্টিয়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার আনিছুর রহমান জানান, তিনি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক প্রথমে আদালতে মামলা করেন। পরে আদালত তাকে থানায় মামলা করার নির্দেশ দেন। সেই অনুযায়ী তিনি মামলা দুটি দায়ের করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
৭ মার্চ ২০২১, রবিবার, ৯:৩৩

মামলার আগে গ্রেফতার করে রাখা ভাল। নতুবা পালাতে পারে।

অন্যান্য খবর