× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

মৎস্যজীবীর তালিকায় ইউপি সদস্যসহ প্রভাবশালীরা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকারি সহায়তা না পেয়ে খুলনার কয়রা উপজেলার প্রকৃত জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযোগ উঠেছে, কার্ডধারী জেলেদের তালিকায় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ প্রভাবশালীদের নাম রয়েছে। যারা পেশায় জেলে নন। কিন্তু এদের নামে রয়েছে কার্ড। জানা গেছে, মহারাজপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ওহিদ মোড়ল। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ওয়ার্ড সদস্য নির্বাচিত হন। গত ৫ বছরে মাছ ধরতে না গেলেও মৎস্যজীবীদের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফ চাল তুলতে ভুল করেননি তিনি। ওহিদ মোড়লসহ তার আপন তিন ভাই জেলে পরিচয়পত্রধারী।
অথচ প্রকৃত মৎস্যজীবীরা রয়েছেন তালিকার বাইরে। ফলে নিষেধাজ্ঞার সময়ে বরাদ্দকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। অভিযোগ রয়েছে, মৎস্যজীবী হিসেবে সংযুক্ত ৯৩৩ জনের অধিকাংশ ‘জেলে’ পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তাছাড়া নতুন সংযুক্ত তালিকায় এলাকার বিত্তবান অমৎস্যজীবীদেরও নাম রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা অভিযোগ করেন, ইউপি মেম্বার বা সংশ্লিষ্টদের কাছে গেলে টাকা চায়। টাকা না দিলে অথবা তাদের ঘণীষ্ঠজন না হলে জেলে কার্ড দেয় না। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য অহিদ মোড়ল বলেন, ৮-১০ বছর আগে মাছ ধরতাম। তখন তালিকাভুক্ত হই। তিনি বলেন, গত বছর দু’বার ভিজিএফ’র চাল পেয়েছিলাম। গত বছর জেলে পরিচয়পত্রধারীদের বাইরেও বেশকিছু লোকের নামে উপজেলা থেকে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (লাভলু) বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। ‘উপজেলা পর্যায়ে জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র কমিটি’র সদস্য সচিব ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এসএম আলাউদ্দিন বলেন জনবলের ঘাটতি রয়েছে। তাই শতভাগ যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। বেশ কিছু ব্যক্তির নামে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে অ-মৎস্যজীবীদের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
‘উপজেলা পর্যায়ে জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র কমিটি’র সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস বলেন, অভিযোগের বিষয়ে জেনেছি। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর