× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

সব সিটিতেই চলছে গণপরিবহন, ঢাকায় ঢুকছে বাইরের বাসও

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(২ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ৭, ২০২১, বুধবার, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন

করোনার দ্রুত বিস্তার ঠেকাতে সরকারি কঠোর বিধিনিষেধের কারণে দুদিন বন্ধ ছিল গণপরিবহন। মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে সকাল-সন্ধ্যা গণপরিবহন চালুর অনুমতি দেয় সরকার। ফলে আজ সকাল থেকে ঢাকাসহ দেশের সব সিটিতেই ফের চালু হয়েছে গণপরিবহন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলাচল করছে এসব যানবাহন। দুদিন বন্ধ থাকার পর আজ গণপরিবহন চালু হওয়ায় রাজধানীর বেশির ভাগ সড়কে লেগে যায় যানজট। অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলাচল করায় ৬০ শতাংশ অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের। এদিকে দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন জেলা থেকে বাস ঢাকায় ঢুকতে দেখা গেছে। নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য বাস রাজধানীতে প্রবেশ করছে।
একই সঙ্গে সিলেট, কুমিল্লা ও লাকসাম এলাকার দূরপাল্লার বাসগুলোকেও প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
ওদিকে আমাদের জেলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ সকাল থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় গত রোববার সারা দেশে এক সপ্তাহের গণপরিবহন বন্ধ সহ কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এরপর সোমবার ও মঙ্গলবার দুদিন বন্ধ ছিল গণপরিবহন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ভার্চ্যুয়াল ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও জনসাধারণের যাতায়াতে দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গণপরিবহন চলাচলের বিষয়টি শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে পুনর্বিবেচনা করে অনুমোদন দিয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ১২:৩১

আমার ধারণা করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ সমাবেশ । কর্মস্থলে নয় ।রোগীর ব্যাকগ্রাউন্ড জীবন ( কর্ম জীবন) চেক করে পরিসংখ্যান তৈরি জরুরি। ১। আক্রান্ত হওয়ার আগের ১৪ দিনের ইতিহাস। এতে সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে যারা আক্রান্ত কোনো সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন কিনা। কি কাজ করেন। মসজিদে জামাত এ নামাজ, মন্দিরে পুজো , গির্জায় জমায়েত এ শরিক হয়েছে কি না। আক্রান্ত হওয়ার সুত্র বের করে চিহ্নিত করুন।

Jamilur
৬ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:১২

এটা লকডাউন এর আগে মোডিফাই লাগানো উচিত ছিল

Mamun
৬ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:৪২

মানবজমিন কে bolchi- "কঠোর লকডাউন" শব্দ গুলোর ব্যাবহার একটু বেশী হয়ে গেলনা? আদৌ কি লক ডাউন চলছে?

Shobuj Chowdhury
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ১০:৩৮

"Leje Gubore", development.

অন্যান্য খবর