× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

যেভাবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে যোগ দেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা ইন্দ্রমোহন রাজবংশী আর নেই। আজ (৭ এপ্রিল) ১০ টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মারা যান এই সংগীতশিল্পী। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে যোগ দিলেন কিভাবে ইন্দ্রমোহন রাজবংশী? এক সাক্ষাৎকারে সেই অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন তিনি। রাজবংশী তার পিশেমশাইয়ের পরিচিত একজনকে ধরে ‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠস্বরের ধ্বনি প্রতিধ্বনি’ গানের শিল্পী অংশুমান রায়ের সঙ্গে বালিগঞ্জস্থিত স্বাধীন বাংলা বেতারে যান জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে। এর পর থেকে গান গাওয়া, লেখা, সুর করা আর মুক্তিযুদ্ধের ক্যাম্পে ক্যাম্পে পণ্ডিত বারীন মুজমদারের দলের সঙ্গে বা এককভাবে অনুষ্ঠান করে দিন কাটতে থাকে তার। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত স্বধীন বাংলা বেতারে এককভাবে গাইতে পেরেছিলেন মোট তিনটি গান। একটির কথা ও সুর আবদুল লতিফ সাহেবের (এসো গাই দেশের জয়গান), একটি তার কথা ও সুরে (কে কে যাবি আয় রে চল যাই রে) ও একটি শিল্পী মুকসেদ আলী সাঁইয়ের সংগ্রহ করা (বিড়াল বলে মাছ খাব না)। অনেক সমবেত কণ্ঠের গানও গেয়েছেন তিনি।
তার ‘কে কে যাবি আয় রে’ গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনুষ্ঠান ‘অগ্নিশিখা’ প্রচার হওয়ার আগে প্রতিদিনই বাজত। দেশ স্বাধীন হলে আবারও কলকাতা থেকে রওনা হয়ে ১৯৭১ সালের ১৯ ডিসেম্বর নিজ গ্রামে মা-বাবা ও ভাই-বোনদের মাঝে ফিরে আসেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর