× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

অসংখ্য চলচ্চিত্রের গানও গেয়েছিলেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন কালজয়ী কণ্ঠশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। তিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বেতার, টিভি ও সিনেমা। অসংখ্য চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এই কণ্ঠশিল্পী। ১৯৬৭ সালের শেষ দিকে কৌতুকাভিনেতা আনিস ইন্দ্রমোহন রাজবংশীকে খ্যাতিমান সংগীত পরিচালক সত্য সাহার বাসায় নিয়ে যান। এই শিল্পীর কণ্ঠ শুনে তিনি খুশি হন এবং পরের সপ্তাহেই যেতে বলেন। নির্ধারিত দিনে তার বাসায় গেলে তিনি গান তুলে দেন ‘তুই বন্ধুয়া কোন পিরিতে পরাণ নিলি কাড়ি/সোনার কন্যা ছাইড়া চলে সাধের বাপের বাড়ি'। এটি মাঝির গান। সত্য সাহা গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কথায় চমৎকার সুর দেন।
তারপর ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর  বুঝতে বাকি রইল না— তাকে চলচ্চিত্রের গানে সুযোগ দেওয়ার জন্য সত্য সাহা দুই মাঝির কণ্ঠে গান বানিয়েছেন। কৃতজ্ঞতায় তার প্রতি মাথা নুয়ে যায়। সঙ্গে গুরু আবদুল আলীমের প্রতিও, যিনি সহাস্য বদনে তাকে নিয়ে গানটি গাইলেন। সে ছবির একটি সমবেত গানেও কণ্ঠ লাগিয়েছিলেন সত্য সাহা। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালে আজিজুর রহমান পরিচালিত ‘গরমিল’ ছবিতে ফেরদৌসী রহমানের সঙ্গে একটি দ্বৈতগানে সত্য সাহা এই কন্ঠশিল্পীর কণ্ঠ লাগালেন। গানের কথা লেখেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। ‘মহররমের দশ তারিখে করলি কিরে রব্বানা/হায় হাসান হায় হোসেন বলে কাঁদে সোনার মদিনা'। একই বছর নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘তৃষ্ণা’ ছবিতে সত্য সাহা তাকে গাওয়ালেন একক গান ‘ও রে মায়ের চেয়ে বড় কেহ নাই রে দুনিয়ায়'। এ গানটিও গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা। এরই মধ্যে গাওয়ালেন ‘সুজন সখী’ ছবিতে ‘যার নয়নে যারে লাগছে রে ভালো'। সত্তরের দশকে একে একে অনেক গান গাইলেন তিনি। তাকে আলম খান গাওয়ালেন সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে ‘সারেংবউ’ ছবিতে। আনন্দ ১৯৭২ সালে তার ‘বাঘাবাঙালি’ ছবিতে লাগালেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর লেখা, সুর করা ও স্বাধীন বাংলায় গাওয়া ‘কে কে যাবি আয় রে/চল যাই রে/আয় বাঙালি মুক্তি সেনা বাংলার মান বাঁচাই রে’—এই গানটি রুনা লায়লার সঙ্গে সংগীত পরিচালক দেবু ভট্টাচার্য গাওয়ালেন আলমগীর কবিরের ছবিতে। আলম খান মুকুল চৌধুরীর কথায় গাওয়ান ‘আরাধনা’ ছবিতে। তারপর আবারও সত্য সাহার সংগীত পরিচালনায় গাইলেন সৈয়দ আবদুল হাদীর সঙ্গে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ ছবিতে। এমনি করে ‘মাটির মায়া’, ‘সোহরাব রুস্তম’, (সংগীত পরিচালক সুবল দাসের সুরে) ‘অভাগী’, ‘মাটির কোলে’, ‘মধুমালা মদন কুমার’, ‘রঙিন গুনাই বিবি’সহ অনেক ছবিতে গাইলেন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী। নব্বইয়ের দশকে ‘মাটির ঘর’, ‘চুড়িওয়ালী’, পশ্চিম বাংলার ‘রঙিন রূপবান’সহ ১০-১২টি ছবিতে। ২০০০ সালের পর গাইলেন ‘পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ’, ‘বিয়ে’, ‘তাজমহল’সহ বেশ কয়েকটি ছবিতে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর