× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

ভাঙ্গায় সালিশ বৈঠকে সংঘর্ষ হামলা-ভাঙচুর নারীসহ আহত ১০

বাংলারজমিন

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের শিমুলবাজার এলাকায় পূর্বের ঘটনার জের ধরে সালিশ-বৈঠকের মধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুরে এলাকার পাথরাইল গ্রাম এবং মিয়াপাড়া ও চতলারপাড় গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী এ সংঘর্ষ হয়। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে মিয়াপাড়া গ্রামের জনৈক মহিলা প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাথরাইল গ্রামের স্কুল শিক্ষক জসিম উদ্দিনকে সম্প্রতি একটি ঘটনায় মিয়াপাড়া গ্রামের কিছু লোক মারধর করে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। বিষয়টি দু’পক্ষের মধ্যে মীমাংসার জন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শিমুলবাজার ইউপি পরিষদ ভবনে  বৈঠকে বসে।
এতে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোতালেব মাতুব্বর, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, লিটন মাতুব্বর, শফি উদ্দিন মোল্লাসহ এলাকার গণ্যরা। বৈঠকে জসিম মাস্টার মিয়াপাড়ার পক্ষের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক মাতুব্বরের সালিশ পক্ষের আসনে বসা নিয়ে আপত্তি জানালে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।  একপর্যায়ে সালিশ-বৈঠক আয়োজনটি পণ্ড হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই দু’দল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঢাল-সরকি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে  গ্রামের লোকজন বিবদমান দলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ সময় বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলায় শিমুল বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলমগীর সর্দারের বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং তার বাড়ি ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়। সরজমিন দেখা যায়, হামলায় আলমগীর সর্দারের বসতঘরসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ভেঙে, আসবাবপত্র তছনছ করে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। টহলরত থানা পুলিশের এস আই এনায়েত হোসেন বলেন, আমরা দু’পক্ষকে নিবৃত করেছি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।  এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর