× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

‘এটা অপরিকল্পিত লকডাউন’

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার
সর্বশেষ আপডেট: ১:৩৯ অপরাহ্ন

করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন কার্যকর নয় বরং অপরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো করে হঠাৎ করে লকডাউন ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এটা অপরিকল্পিত হয়ে গেছে। প্র্যাকটিক্যালি এটা লকডাউন হয়নি। লকডাউন যেদিন ঘোষণা করা হলো সেদিন মানুষ গ্রামে চলে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ছুটির উৎসব। এটা লকডাউন হয়নি- এটা ছুটি হয়েছে। গ্রাম এলাকাগুলো ভালো ছিল।
এখন শহরের মানুষ গ্রামে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছে। এটা কোনো লকডাউনই হয় নাই, বলতে পারেন কয়েকদিনের জন্য ছুটি। মঙ্গলবার মানবজমিন লাইভ ‘না বলা কথা’য় এসব কথা বলেন তিনি। পিয়াস সরকারের উপস্থাপনায় আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। এই সংক্রমণ দ্বিতীয় ধাপে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। কবে যে আরো বেড়ে পিক হবে এরপর কমা শুরু করবে। আগামী কয়েকদিন পর বোঝা যাবে আমরা কোন্‌ পর্যায়ে আছি। আমরা এখনো পিকে উঠিনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটা ঢিলেঢালা ভাব ছিল। সেই সঙ্গে জনগণের ভুলের কারণে আমরা মাশুল দিচ্ছি। লকডাউন বাড়ানো ঠিক হবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে ডা. আব্দুল্লাহ বলেন, এটা লকডাউনই হয় নাই। লকডাউন দেয়ার আগেই কার্যকরী উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন ছিল যাতে মানুষ লকডাউন মানতে বাধ্য হয়। আর সাতদিনে কোনো লকডাউন হয় না। দিলে কমপক্ষে ১৪ দিন দিতে হয়। তারা মিটিং করবে- যদি মনে করে সাতদিনের লকডাউনে কাজ হয়েছে তবে বাড়াবে। আসলে কোনো কাজ হচ্ছে বলে আমার মনে হয় না।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের বিষয়ে তিনি বলেন, ইউকে ভ্যারিয়েন্ট দেখা গেছে বাংলাদেশে। এটা বাংলাদেশে আঘাত হানা করোনার থেকে ৭০ গুণ দ্রুত ছড়ায়। এটা যুবকদের বেশি আক্রান্ত করছে- এমনকি বাচ্চাদেরও আক্রান্ত করছে। আর এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হলে দুই থেকে তিনদিনের মধ্যেই সিরিয়াস হয়ে যায়। এর কারণ হিসেবে তিনি বৃটেন থেকে আসা প্রবাসীদের ঠিকমতো কোয়ারেন্টিন না মানাকে দায়ী করেন।

টিকা প্রসঙ্গে ইউজিসি অধ্যাপক বলেন, টিকা নেয়ার ফলেও আক্রান্ত হচ্ছে। টিকার প্রথম ডোজ নেয়ার পরে শরীরে ইমিউনিটি বা অ্যান্টিবডি তৈরি হতে ১৪ থেকে ২১ দিন সময় লাগে। প্রথম ডোজে প্রটেকশন হবে ৫০ থেকে ৬০ ভাগ। দ্বিতীয় ডোজ নিলে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে ৯০ ভাগ। কোনো টিকা শতভাগ প্রটেকশন দিবে না। তাই টিকা নেয়ার পরেও সচেতনতা মেনে চলতে হবে এবং অবশ্যই আপনারা টিকা নিবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা বলতেই হবে শিক্ষাক্ষেত্রে করোনা সব থেকে বেশি ক্ষতি করেছে। আপাতত বন্ধই রাখতে হবে। ভবিষ্যতে যদি সংক্রমণ কমে তখন সেটা ভেবে দেখতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর