× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ১ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ
কলকাতা কথকতা

মথুরাপুরের সবজি বিক্রেতার ছেলেকে কোভিশিল্ড গবেষণার জন্য অনন্য সম্মান

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা
(১ মাস আগে) আগস্ট ২০, ২০২১, শুক্রবার, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মথুরাপুর বাজারে আলু, পটল, মুলো, বেগুন বিক্রি করে ছেলেকে পড়িয়েছেন ব্রজেন্দ্রনাথ নাটুয়া। সেই ছেলে সুভাশিষ ১১ আর ১২ সেপ্টেম্বর কোয়েম্বাটুরে অনুষ্ঠিত হতে চলা ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাওয়ার্ড অফ সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন পেতে চলেছে। করোনা ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড আবিষ্কারের অন্যতম রূপকার হিসেবে এই খেতাব পাচ্ছে মথুরাপুর কৃষ্ণচন্দ্র হাইস্কুল এর এই মেধাবী ছাত্র। একসময় যে খালি পেটে ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখতো। যার বাবা দুই ছেলে দেবাশীষ আর সুভাশিষকে মানুষ করতে প্রাণান্ত চেষ্টা করেছেন। মথুরাপুর হাইস্কুলের হেডমাস্টার চন্দন মাইতি সেদিন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে না দিলে ২০১২ সালের উচ্চমাধ্যমিকের পাসআউট শুভাশিসের ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড সায়েন্স রিসার্চে পড়া সম্ভব হতো না এবং ৯ বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানী হিসেবে করোনার মহাশত্রু কোভিশিল্ড গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হওয়া সম্ভব ছিল না। ভোপালের আই আই এস ই আর সংস্থা কোভিশিল্ড গবেষণার জন্য দেশের সেরা বিজ্ঞানীদের যে প্যানেল তৈরি করেছিল তাতে জায়গা পায় শুভাশিস আর এন এ বিশেষজ্ঞ হিসেবে। সুভাশিসের গবেষণার বিষয় ছিল, করোনা ভাইরাস এর বিভিন্ন স্ট্রেইন এর জেনেটিক গঠন ও বিভিন্ন জনজাতির মধ্যে এর প্রভাব।
শুভাশিসদের সফল গবেষণার পর কোভিশিল্ড আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় এবং ভারতে এখন এই ভ্যাকসিন মারণ করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে বড় আয়ুধ। সুভাশিষ এখন আমেরিকায় ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা করে। একসময় মথুরাপুর বাজারে বাবার সঙ্গে বসে সবজিও বিক্রি করেছে সুভাশিষ নাটুয়া। এখন সে বিশ্ববিখ্যাত আবিষ্কার কোভিশিল্ড এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে পেরে ধন্য সুভাশিষ। সুযোগ পেলেই মথুরাপুরে আসে। মথুরাপুর বাজারের সবজি বিক্রেতার আসন থেকে সে আজ বিশ্বের আসনে। তবু ভোলেনি তার প্রিয় মথুরাপুরকে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Harun al-Rashid
২০ আগস্ট ২০২১, শুক্রবার, ১২:১৬

মনে হচ্ছে চমকটা বিজ্ঞানী ছেলের বাবা একজন সব্জি বিক্রেতা। পেশায় নাপিত কামার কুমার বা ধোপা হলে খবরের শিরোনাম খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য হতো। তাঁর অধ্যবসয় মেধা ও মননশীলতা পিতার পেশার অন্তরালে লুকিয়ে রাখাও এক প্রকার অবহেলা।

Kazi
১৯ আগস্ট ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:৩৩

অনুন্নত দেশের ধনীর ছেলেরা বখে যায় । গরিবের ছেলেরা বাস্তব অবস্থা থেকে শিখে বাস্তবতা । তারাই প্রতিষ্ঠা লাভ। Congratulations!

অন্যান্য খবর