× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ৮ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ
কলকাতা কথকতা

ঢাকার পুলিশ অফিসার সোহেল রানাকে আনা হতে পারে কলকাতায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ফেরত চায় অপরাধীকে

কলকাতা কথকতা

জয়ন্ত চক্রবর্তী, কলকাতা
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১, রবিবার, ৪:২২ অপরাহ্ন

কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত অতিক্রম করে বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করা ঢাকার পুলিশ অফিসার সোহেল রানাকে বিএসএফ আটক করার পর পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। স্পর্শকাতর এই ঘটনায় ঢাকার গুলশন  থানার তদন্ত পরিদর্শক সোহেলকে কলকাতায় আনা হতে পারে বলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক শীর্ষ কর্তা জানান। তবে এ ব্যাপারে এখনো কোনো স্থির সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে এগারোশত কোটি টাকার প্রতারণার ই-অরেঞ্জ মামলার সঙ্গে সোহেল রানার যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশও। কয়েকদিন আগে ঢাকার গুলশনে ই- অরেঞ্জ এর সদর দপ্তর এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতারিতদের বিক্ষোভ সম্পর্কেও খোঁজ খবর  নেয়া হচ্ছে। মোটরবাইক ও অন্য ভোগ্যপণ্য ই-কমার্স প্লাটফর্ম ই-অরেঞ্জ এর মারফত  দেয়া হবে এই প্রতিশ্রুতিতে কোটি কোটি টাকা তুলেছিল ই -অরেঞ্জ। ভারতে গ্রেপ্তার হওয়ার সময় পুলিশ সোহেল রানার কাছ থেকে বিদেশি পাসপোর্ট, দামি কয়েকটি আইফোন, ট্যাবলেট এবং ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে। সোহেল রানার ভারতীয় কন্টাক্টদের নাম জানার জন্য গোয়েন্দা দফতরের দুঁদে কর্তারা তাকে কলকাতায় জেরা করতে পারেন।
পুলিশের অনুমান- এই কন্টাক্টদের কাজে লাগিয়ে ভারত থেকে ব্যাংকক কিংবা সিঙ্গাপুরে পালানোর ছক ছিল ধৃত এই পুলিশ অফিসারের। তবে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য আগে মামলা হবে তারপর সোহেল রানাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। পুলিশ ও বিএসএফ কর্তারা সোমবার এই ব্যাপারে একটি বৈঠকে মিলিত হতে পারেন।      

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ক্ষুদিরাম
৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার, ৫:০৩

ছিঃ ছিঃ ছিঃ এ লজ্জা রাখি কই ?? একজন পুলিশ পরিদর্শক মর্যাদার অফিসার যখন অন্য দেশের মিডিয়ার খোরাক হয় এভাবে কনস্টেবল মর্যাদার পুলিশ দারা হাতে হ্যান্ডকাপ পরারত অবস্থায় তখন এদেশের পুলিশ সমাজের কিছু না যায় আসলেও দেশকে যে অপমান অপদস্থ্য করা হয় তা যদি পুলিশ সমাজ বুঝতো তাহলে মাতৃভূমি কিছুটা হলেও লজ্জা নিবারন করতে পারতো। আপনাদের বিরুদ্ধে বেশী সত্য বলে নিজেকে গুম হওয়া মানুষদের কাতারে দেখার দুঃসাহস নেই তাই শুধু এটুকুই বলবো "আবার তোরা মানুষ হ" !!

Kazi
৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার, ৩:৫৮

আজ পর্যন্ত কোন পত্রিকায় দেখিনি বা পড়িনি ভারতের কোন পুলিশ ( অফিসার দূরে থাক ) পলাতক হয়ে বাংলাদেশে ঢুকে গ্রেফতার হয়েছে । তাদের আত্মসম্মান বোধ আছে । কিন্তু বাংলাদেশের লোকের আত্ম সম্মান সব টাকার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে ।

অন্যান্য খবর