× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার , ৬ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ সফর ১৪৪৩ হিঃ

দিঘলিয়ায় আওয়ামী প্রার্থীর প্রচারণায় ছাত্রদল নেতা, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৬

বাংলারজমিন

অনলাইন ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

খুলনার দীঘলিয়ায় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন বিএনপির অঙ্গসংগঠন থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক গাজী মনিরুল ইসলাম। এসময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন। রোববার দুপুরে উপজেলার সেনহাটী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পুলিশ ক্যাম্পের সামনে প্রচারণার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ওইদ্নি বেলা সাড়ে ১২ টায় সেনহাটী পুলিশ ক্যাম্পের সামনে সেনহাটী আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফারহানা হালিম এবং বিদ্রোহী প্রার্থী গাজী জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া গাজী নির্বাচনি জনসংযোগ করছিলেন। এ সময়ে ফারাহনা হালিমের কর্মীদেও সঙ্গে জিয়া গাজীর কর্মীদের বাকবিতন্ডা হয়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হলে জিয়া গাজীর কর্মী হিটলার (৩২) গুরুতর আহত হন। এর কিছুক্ষণ পর জিয়া গাজী তার কর্মী সমর্থক নিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে আবারও নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন। এদিকে ফারহানা হালিম-এর পক্ষে তার সমর্থক ও প্রাক্তন দিঘলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মল্লিক মহিউদ্দিনের ছেলে মিজান মল্লিক (৪৫), দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের আহবায়ক গাজী মনিরুল ইসলাম (৩৫) ও বাবু গাজী (৩০) নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে চন্দনীমহল স্টার ২ নং গেট থেকে মোটরসাইকেলে করে সেনহাটী যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে পৌঁছলে জিয়া গাজীর সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
এতে তারা মারাত্মক জখম হন।

এলাকাবাসী আরও জানান, দীঘলিয়া থানা ছাত্রদলের আহবায়ক গাজী মনিরুল ইসলাম ও তার ছোট ভাই বাবু গাজী নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা করতে গিয়ে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের হাতে জখম হয়েছেন। এছাড়া ফারহানা হালিমের আরও এক সমর্থক তাসের গোলদারও (৫৫) আক্রমণের শিকার হয়েছেন। পরে ফারহানা হালিমের সমার্থকরা জিয়া গাজীর এক সমর্থক স্টার ২ নং গেট বাজারের দোকানদার মুনসুর (৫০) এর ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি আহত হন।

আহতদের প্রথমে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। খবর পেয়ে ফরহানা হালিম আহতদের দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ছুঁটে যান।

এদিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর