× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ১ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে প্রিন্সিপাল আটক

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

সিলেটের বিয়ানীবাজারে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক হাফেজ আব্দুর রহিমকে (৫৫) আটক করেছে বিজিবি। তিনি পৌরসভার ফতেহপুর এলাকার হযরত হায়দর শাহ (রহঃ) হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। বুধবার দুপুরে বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করে। রাতে তাকে বিয়ানীবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, বিয়ানীবাজার বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের এক সৈনিকের ছেলে ওই মাদ্রাসার ছাত্র (১৫)। সম্প্রতি সে মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। কারণ জানতে চাইলে সে বলাৎকারের বিষয়টি বাবাকে জানায়। পরে ওই বিজিবি সদস্য ঘটনাটি ৫২ ব্যাটলিয়নের দায়িত্বশীলদের জানালে বুধবার দুপুরে মাদ্রারাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ আব্দুর রহিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজিবি সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে ঘটনার সত্যতা ও বলাৎকারের শিকার ওই ছাত্রের মৌখিক জবানবন্দী শেষে গতকাল রাত ৮টার দিকে তাকে বিয়ানীবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় বলেন, বিজিবি মাদ্রাসার প্রিন্সিপালকে থানায় হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় ছাত্রের বাবা থানায় মামলা করেছেন। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মুহাম্মদ হারুন
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:০১

কওমি মাদ্রাসাগুলো নজরদারিতে আনা হোক।

আবদুস ছালাম
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:৩২

মাদ্রাসাগুলোতে ব‍্যপক শিশু নির্যাতন হয়, দেখার কেউ নেই

Anwar hossain
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার, ১১:৫৬

এদের কারনে পুরো আলেম সমাজের ইজ্জত নিয়ে টানাটানি তাদের প্রকাশ্যে ফাঁশি হওয়া উচিত

Mohammad Nurul Islam
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:১৪

আল্লাহ তা’আলা কুরআন করিমে হযরত লুত আ.-এর সম্প্রদায়কে কেনো ধ্বংস করেছেন তার বর্ণনায় বলেছেন, তারা নারীদের কাছে না গিয়ে পুরুষদের বলৎকার করতো। তারা ছিলো সমকামী। ফলে রাব্বুল আলামীন সমস্ত লুত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে মৃত সাগর বা ডেড সী সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে হযরত লুত আ.-এর একজন স্ত্রীও ছিলেন, যিনি এই অসভ্য সমকামীদের সমর্থন করতেন। এই মৃত সাগর এখনো জর্ডানের বর্তমান যা আল্লাহ তা’আলার শাস্তির উদাহারণ বহন করছে। কুরআনে হাফিজ এবং মাদরাসার প্রিন্সিপাল এসব জানার পরেও কেনো এসব কাজ গুলো করে তা আমার বুঝে আসে না? আল্লাহ তাদেরকে কুরআনের শিক্ষা থেকে অনেক দূরে নিয়ে গেছে। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়াত দান করুন। তাদেরকে হেদায়াত কাজ হবে না তাদের ধ্বংস অনিবার্য। আল্রাহ সবাইকে সহীহ বুঝ দান করুন।

Joy
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার, ১০:৩৭

This is so call fraud people destroying the name of teacher.

এম রহমান
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার, ১০:১৩

অনেক মাদ্রাসায়ই আকাম কুকাম চলে, সব প্রকাশ পায় না। তাই শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে ঐ সব মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয়া হোক।

মাজেদুল হাসান
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৮

মাদ্রাসা পাঠক্রমের শিক্ষাব্যবস্থা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। মানুষ মনে করে মাদ্রাসায় সন্তানকে পড়ানো আল্লাহর নেয়ামত। কিন্তু আল্লাহ মানে শৃঙ্খলা, আইনের শাসন, ন্যায্য বিচার এবং মাতৃস্নেহ। আল্লাহ তাআলা বিশ্বব্যাপী মানুষের কাছে বৈজ্ঞানিকভাবে এটাই বুঝিয়েছেন।

অন্যান্য খবর