× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ১ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

জামালপুরে নিখোঁজ তিন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ঢাকায় উদ্ধার

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(৪ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১, শুক্রবার, ৯:৪২ পূর্বাহ্ন

জামালপুরের ইসলামপুরের দারুত তাক্বওয়া মহিলা ক্বওমী মাদরাসার আবাসিক কক্ষ থেকে নিখোঁজ তিন শিশু শিক্ষার্থী ঢাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাজধানীর মুগদা থানার মান্ডা এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া তিন শিক্ষার্থী হলো-ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের পোড়ারচর সরদারপাড়া গ্রামের মাফেজ শেখের মেয়ে মীম আক্তার (৯), গোয়ালেরচর ইউনিয়নের সভুকুড়া মোল্লাপাড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেনের মেয়ে মনিরা খাতুন (১১) ও সুরুজ্জামানের মেয়ে সূর্য ভানু (১০)।
জামালপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ইসলামপুর সার্কেল) মো. সুমন মিয়া জানান, নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের সন্ধান পেতে পুলিশ বিভিন্ন সূত্র ধরে সম্ভাব্য স্থানগুলোতে অভিযান চালায়। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে স্থানীয় রিকশাওয়ালাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মুগদা থানার মান্ডা এলাকার রাজা মিয়া (১৪) নামে এক রিকশাওয়ালার বাসায় তাদের সন্ধান পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজা মিয়া জানিয়েছে, সরল বিশ্বাসে ওই শিশুদের বোন মনে করে সে তার বাসায় আশ্রয় দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ইসলামপুরের গোয়ালেরচর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার দারুত তাক্বওয়া মহিলা ক্বওমি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীরা শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রোবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে শিক্ষকরা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। অন্য ছাত্রীদের মতোই নিখোঁজ শিশুরাও নামাজের প্রস্তুতি নেয়। তবে নামাজের পর তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পরদিন সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদরাসার মুহতামিম (প্রধান শিক্ষক) মাও. মো. আসাদুজ্জামান ইসলামপুর থানায় জিডি করেন। অপরদিকে, মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার পর নিখোঁজ শিশু মনিরার বাবা বাদি হয়ে চার শিক্ষকসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা দায়ের করেন।
পরদিন বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ মাদরাসার চার শিক্ষককে আটক করে। সকল ছাত্রীকে অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করে মাদরাসাটিকে বন্ধ করে দেয় পুলিশ। ওইদিন আটককৃত শিক্ষকদের মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
sultan
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, শনিবার, ১১:৪৭

If those called Mowlana's are "Secularists" its possible they are laundered.

শাহেদ মাহমুদ
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, শুক্রবার, ৩:৫৪

এই ছাত্রীরা মাদ্রাসায় ঘুমাচ্ছিল কেন? কারণ, এই অল্পবয়সী মেয়েদের বাড়িতে তাদের বাবা -মায়ের সাথে ঘুমানোর কথা। আল্লার নামে মাদ্রাসার মাওলানারা ছাত্রছাত্রীদের কঠোর শাস্তি দেয়। তাছাড়া সব বাঙালিই বাংলা ভাষায় কথা বলে। আরবি ব্যাকরণ আমাদের ছাত্রদের জন্য বোঝা খুবই কঠিন।

Kazi
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৯:২১

বিস্তারিত তথ্য পেলে শিক্ষক গণ দোষী কি না বুঝা যাবে । আপাতত শিক্ষকগণ নির্দোষ মনে হচ্ছে । রিকশাওয়ালা ও দোষী মনে হচ্ছে না । তবে তার বয়স কম বিধায় পুলিশে খবর দেওয়ার মত পরিপক্ক বুদ্ধির অভাব মনে হচ্ছে । বাকি তদন্তে বুঝা যাবে । তারা ঢাকায় এল কি ভাবে ? স্বেচ্ছায় নাকি কে ভাগিয়ে এনেছে ।

অন্যান্য খবর