× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

বাংলাদেশি খাবারে মজেছেন কূটনীতিকরা, এবার ফুচকা খেয়ে খুশি বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার

অনলাইন

তারিক চয়ন
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, শনিবার, ৮:৫১ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের মজাদার সব খাবারে মজেছেন ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা। সম্প্রতি পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বাকরখানি খেয়ে মুগ্ধ হয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার ভেন্ডসেন। তিনি বাকরখানি খাওয়ার ছবিও শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে।

ওদিকে, বাংলাদেশে নবনিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত আখিম ট্র্যোস্টার ঢাকার মিষ্টি দই খেয়ে মুগ্ধ হয়েছেন। রাষ্ট্রদূত নিজেই হাড়িভর্তি লোভনীয় দইয়ের ছবি টুইটারে পোস্ট করে জানান, মাত্র ১০ সেকেন্ডে এক হাঁড়ি দই সাবাড় করেছেন তিনি! মানবজমিনে উক্ত দুটি খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এ নিয়ে বাংলাদেশের নেটিজেনদের অনেককেই নিজ দেশের খাবার নিয়ে গর্ব করতে দেখা যায়।

যাই হোক। নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এবং জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাথেই যেনো এবার পাল্লা দিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বৃটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেল। তিনি নিজেই টুইটারে ফুচকা খাওয়ার দুটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেনঃ

"অবশেষে সুস্বাদু বাংলাদেশি ফুচকা খেয়ে খুব ভালো লাগছে।
হ্যাঁ, আমি গুগলে (ফুচকা) বানানটা দেখে নিয়েছি।"

এছাড়া, ঢাকাস্থ বৃটিশ হাইকমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকেও তাদের ডেপুটি হাইকমিশনারের দুটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়েছেঃ

"ডেপুটি হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলের প্রথম ফুচকা খাওয়া। তিনি খুব মজা পেয়েছেন।"

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ফজলু
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, রবিবার, ৩:৩৭

আমার এক মেহমান সকালে ঢাকা ছেড়ে দেশে ফিরবেন, তাই সন্ন্ধ্যার পর উনাকে নিয়ে বাহিরে বের হলাম। হঠাৎ বেচারার ফুচকা খাওয়ার শখ জাগলো। খেলও বেশ! বাসায় ফিরে বেচারা সারারাত বিছানা আর ওয়াসরুম করে রাত পার করে। রাতে আর ডাক্তারের সাহায্য নেয়া সম্ভব হলো না। পরদিন উনার দেশে ফিরা হয় নি। সুস্থ্য হতে সপ্তাহ পার হয়ে যায়। আমি হলফ করে বলতে পারি, এদেশের রাস্তার বা হোটেলের খাবার ওরা বেশীদিন খেতে পারবে না।

Nessar Ahmed
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, শুক্রবার, ১০:৪০

ওরা খুব ভাল করেই জানে যে আমরা পাম্প পছন্দ করা জাতি, আর সেকারনেই তারা এসব করে আমাদের কেবল পাম্পই দেয়। অন্য কিছুই দেয়না বরং পাম্প দিয়ে অনেক কিছুই হাতিয়ে নেয়। প্রকাশ্যে এবং গোপনে ! আর আমরা হই খুশীতে দশ খানা !! আহা কতই না বলদ আমরা !!

অন্যান্য খবর