× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ অক্টোবর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ
কর্মশালায় বক্তারা

ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণে বিলম্ব নয়

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১, শনিবার, ৬:৪৮ অপরাহ্ন

খাদ্যে উচ্চমাত্রার শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাটের কারণে প্রতিবছর পৃথিবীতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করেন। ডব্লিওএইচও’র প্রতিবেদন অনুযায়ী ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগে মৃত্যুর সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৫টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম থাকলেও ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণের খসড়া নীতিমালাটি এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি সরকার। এ বিষয়ে অগ্রগতি এবং গণমাধ্যমের করণীয় সম্পর্কে তুলে ধরতে গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর সহায়তায় আজ শনিবার বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবনের শহীদ ডাক্তার শামসুল আলম খান মিলন সভাকক্ষে “ট্রান্সফ্যাট নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা: অগ্রগতি ও করণীয়” শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালা আয়োজন করে অ্যাডভোকেসি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান)। কর্মশালায় প্রিন্ট এবং অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত ২৯ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় ব্রাক ইউনিভার্সিটির জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ এর অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট আবু আহমেদ শামীম বলেন, শিল্পোৎপাদিত ট্রান্সফ্যাট খাদ্যের একটি বিষাক্ত উপাদান যা হৃদরোগজনিত অকাল মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ডালডা বা বনস্পতি ঘি এবং তা দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার, ফাস্টফুড ও বেকারি পণ্যে ট্রান্সফ্যাট থাকে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, আমাদের গবেষকদল ঢাকার ডালডা নমুনার ৯২ শতাংশে ডব্লিউএইচও সুপারিশকৃত ২% মাত্রার চেয়ে বেশি ট্রান্সফ্যাট (ট্রান্স ফ্যাটি এসিড) পেয়েছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কর্মশালায় প্রজ্ঞা’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বের খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং এলক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) “খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি এসিড নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১” প্রণয়নে কাজ করছে।
প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণ প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) এর সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই খসড়া প্রবিধানমালাটি চূড়ান্ত করতে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। আমরা আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি চূড়ান্ত হবে।
গ্লোবাল হেলথ এডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মো. রূহুল কুদ্দুস বলেন, ট্রান্সফ্যাট নির্মূলের অর্থনৈতিক গুরুত্বও অনেক। আমাদের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বাজার দিন দিন বাড়ছে। ট্রান্সফ্যাটমুক্ত পণ্য তৈরি করতে না পারলে আমরা আন্তর্জাতিক বাজার হারাবো এবং দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশে ট্রান্সফ্যাটঘটিত হৃদরোগ ঝুঁকি বাড়বে এবং চিকিৎসা খাতে ব্যয় বাড়বে।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকবৃন্দ ট্রান্সফ্যাটের ক্ষতিকর প্রভাব এবং ট্রান্সফ্যাটমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে প্রবিধানমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কর্মশালায় প্রজ্ঞা’র পক্ষ থেকে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন ট্রান্সফ্যাট নির্মূল প্রকল্পের টিমলিডার মো. হাসান শাহরিয়ার এবং প্রকল্প সমন্বয়ক মাহমুদ আল ইসলাম শিহাব। কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক নাদিরা কিরণ এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর