× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ৮ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

ভারতে পাচারের শিকার ৩৭ নারী-শিশু ফিরেছে

দেশ বিদেশ

কূটনৈতিক রিপোর্টার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সেফ হোমে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ৩৭ বাংলাদেশি নারী ওই শিশুকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু বিকাশ এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের অধীনে প্রতিষ্ঠিত নারী ও শিশু পাচার রোধ বিষয়ক বিশেষ টাস্কফোর্সের যৌথ উদ্যোগে তাদের ফেরানো হয়। কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়- ভারতে পাচারের শিকার সাঁইত্রিশজন নারী ও শিশুকে ২০শে সেপ্টেম্বর পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রায় দেড়শতাধিক বাংলাদেশি নারী ও শিশু বিভিন্ন সময়ে পাচার হয়ে কিংবা অবৈধভাবে বা ভুলক্রমে ভারতে এসে আটক হয়ে বিভিন্ন সেফ হোমে অবস্থান করছেন। আটককৃত এ সব নারী ও শিশুদের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিরেক্টর অব চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ট্রাফিকিং বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবহিত করে। বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিরা এসব সেফ হোমসমূহ পরিদর্শন করে আটককৃত বাংলাদেশি নারী ও শিশুদের তথ্য সংগ্রহ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করে। পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পাদনের পর বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ট্রাভেল পারমিটের প্রমাণিকরণ, ডকুমেন্টেশন ইস্যু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ মিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু পাচার রোধকল্পে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ টাস্কফোর্সের যৌথ উদ্যোগে গৃহীত পদক্ষেপের কারণে বছরের পর বছর ভারতের বিচারিক আদালতের মামলার কারণে বিভিন্ন সেফ হোমে আটকে থাকা এই সব নারী ও শিশুর সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ২০২১ সালের ২৫শে জানুয়ারি আরও ৩৮ জন নারী ও শিশুকে ফেরত পাঠানোর পর বড় পরিসরে এই ধরনের এটি দ্বিতীয় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং আটককৃত অবশিষ্ট বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমীন স্মৃতি এবং প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মো. সানিউল কাদেরসহ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের একটি বিশেষ প্রতিনিধিদল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে ৩৭ জন নারী ও শিশুকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনকৃত এই ৩৭ জনের মধ্যে ৪ জন পূর্ণবয়স্ক নারী রয়েছেন। বাকিদের বয়স ১৮ বছরের নিচে। তারা ভারতের বিভিন্ন সেফ হোমে প্রায় দুই বছর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত আটকা ছিলেন। বেনাপোল- পেট্রাপোল পোর্টে তাদের হস্তান্তরকালে পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের বিভিন্ন সংস্থা, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিজিবি এবং বিএসএফ সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর