× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার , ৭ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

জাল ভোট দিতে গিয়ে ৬ প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার আটক

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

কবিরহাট পৌরসভা, হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার ১৩ ইউপিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাতিয়ায় ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি তে নির্বাচন হয়েছে। অন্য ৪টি তে সীমানা বিরোধের কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। নির্বাচন হয়েছে চর কিং, চরঈশ্বর, তমরদ্দি, বুড়িরচর, সোনাদিয়া, জাহাজমারা, ও নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়ন। নোয়াখালীর হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়ন ও জাহাজমারা ইউনিয়নে দুটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার সময় চার প্রিসাইডিং অফিসারকে আটক করেছে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.কামরুল হোসেন চৌধুরী ও হাফিজুল হক। আটককৃতরা হলোÑ হরনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও বেলায়েত চৌমুহনী আরাফিয়া সিনিয়র আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী মো. বেলায়েত হোসেন, সরিষার হোসাইনিয়া মাদ্রাসা প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার আহমেদ রাফি, পশ্চিম সোনাদিয়া চর ঈশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্ল্যা।
এছাড়া জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে ২ পোলিং অফিসারকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত পোলিং অফিসাররা হলেন- দক্ষিণ-পূর্ব কালাম মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পোলিং অফিসার মুন্নি বেগম, মধ্যম মাইজচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পোলিং অফিসার ফারজানা আক্তার।
সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার সময় তাদেরকে আটক করা হয়। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাহবুব ও বেলায়েতকে আটক করা হয়। অপর ২ প্রিসাইডিং ও ২ পোলিং অফিসারকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের হাজী মোজাম্মেল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার সময় তাদেরকে আটক করা হয়। স্থানীয় সূত্র জানান, সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়া মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের দুই সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ভোটারবিহীন অবস্থায় বিভিন্ন মার্কায় সিল মারেন। এ সময় সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী দুই সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। অপরদিকে, অপর ২ প্রিসাইডিং ও ২ পোলিং অফিসারকে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের হাজী মোজাম্মেল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার সময় হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুল হক। হাতিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি মানবজমিনকে জানান, এ বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারা যে সিদ্ধান্ত দিবে ওই অনুসারে আইনগত প্রদক্ষেপ নেয়া হবে। ভোট কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায়, ও হুমকি ধামকির অভিযোগ এনে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী । নির্বাচন বর্জনকারী প্রার্থীরা হলোÑ উপজেলার ৯নং বুড়িরচর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রর্থী (নৌকা) জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, ১০নং জাহাজমারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী (নৌকা) এটিএম সিরাজ উদ্দিন, ৫নং চরঈশ্বর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ (আনারস), ৮ নং সোনাদিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটর সাইকেল) নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, ১১ নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী (মোটরসাইকেল) মো.মেহেরাজ উদ্দিন। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮-৯টার মধ্যে এসব চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। অপরদিকে, ২০ সেপ্টেম্বর কবিরহাট পৌরসভার মেয়র পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাবেক মেয়র কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক রায়হান নির্বাচিত হওয়ায় শুধু কাউন্সিলর পদে পেশী শক্তির ভোট হয়েছে। নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ না থাকা, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর হুমকি ও অন্ত্র মহড়ার অভিযোগে ভোটের আগের দিন দুই কাউন্সিলর প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা হলেন- ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (ডালিম) ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হানিফ (পাঞ্জাবী)। গতকাল রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে ভোট বর্জনের এ ঘোষণা দেন তারা। সদর-সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিমলেন্দু কিশোর পাল মানবজমিন কে বলেন, শুধু চরবাটা ইউনিয়নের ১০টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Didar Khan
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:৪৬

আগে শুনতাম সন্ত্রাসীরা জাল ভোট দিতেন, আর এখন বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা .........কোন দেশে বাস করি ?

অন্যান্য খবর