× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২১, সোমবার , ৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমালো সরকার

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(৩ সপ্তাহ আগে) সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১, মঙ্গলবার, ২:৪৯ অপরাহ্ন

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে ১৫ লাখ টাকার কম যারা বিনিয়োগ করবেন তাদের মুনাফা একই থাকবে। আজ মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এই হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এই মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। নতুন নিয়মে যাদের এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে।
আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে সাড়ে ৯ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। আর এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।
অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেত। এখন এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এই হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। পাঁচ বছর মেয়াদি এই সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এখন এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই হার সাড়ে ৯ শতাংশ।
ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে বর্তমানে মুনাফার সাড়ে ৭ শতাংশ, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মোঃ ইস্কান্দার আলী
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৮:৫৬

অর্থ মন্ত্রীর কী হয়েছে ? তিনি তো নিরীহ জননের জীবন বিষময় করে তুলেছেন। অেনেকে সঞ্চয় পত্রে মুনাফা দিয়ে জীবন ধারণ করেন। এখন তাদের কী হবে ? তিনি নিজে ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ীদের সুযোগ করে দিলেন। মানুষকে ব্যাংকে টাকা রাখতে এতা ফন্দি-ফিকির।

Puspendu Bikash Baru
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৭:১০

প্রবাসীদের জন্য খুবই দুঃখের সংবাদ। যা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না????? এর কারণে প্রবাসীরা খুবই ক্ষতি হবে। পরপর নতুন নিয়ম করে প্রবাসীদের ক্ষতি করছে। প্রবাসীদের সুযোগ সুবিধা গুলো পুনবিবেচনার অনুরোধ রইল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ খবর পৌঁছানো চাই। প্রবাসীদের কারণে আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার জমা হচ্ছে। অথচ সেই প্রবাসীদেরকে অবহেলা করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

A. R. Sarker
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:১০

৬৫ উর্ধ ব্যক্তি দের খেত্রে পুর্বের নিয়ম বহাল রাখা হউক। অন্যথায় অবিচার করা হইবে। কারন তারা কর্মক্ষম নয়।

Amir
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:৩০

যারা সঞ্চয় পত্রে টাকা খাটাচ্ছে তাদের ওই টাকা কয়টা না থাকলে তারা হয়তো বয়স্ক ভাতা বিধবা ভাতা বা অন্যান্য ভাতার জন্য সরকারের শরণাপন্ন হত; অতএব সঞ্চয় পত্রটা শুধু টাকা জমা রেখে লাভ নেওয়াই নয় এটা সামাজিক সুরক্ষাও বটে -যেই সামাজিক সুরক্ষা সরকারের দেওয়ার কথা। সরকার কেন সঞ্চয়পত্রের উপর ক্ষেপেছে জনগণের তা বোধগম্য নয়। সমাজের সামান্য সংখ্যক মানুষ সরকারি সহায়তা বিহীনভাবে জীবন যাপন করতে চেয়েছিল সেটাকে সরকার ভালো চোখে না নিয়ে তাদেরকে সরকারের উপরেই নির্ভরশীল করে দিচ্ছে! ভোটাভোটির রাজনীতিতে জনগণ ''তিন টেক্কা'' নয় এটা কি মহাজনরা জেনেই গেছেন!

JESMIN AKTER
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ৪:১০

বিভিন্ন সমবায় সমিতি যারা মুনাফা দেয়ার প্রলোভন তাদের সুবিধা হলো।

Ali ASHRAF
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ২:৫৪

Exception should be made for people aged 60 years more. Should not be difficult identity this group since everyone has their NID.

ক্ষুদিরাম
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার, ২:৫৮

GOOD DECISION !

অন্যান্য খবর