× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২১, রবিবার , ৯ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ
বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

সিসি ক্যামেরা ফুটেজে ছাদে দৌড়ানোর দৃশ্য

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

রাজধানীর সবুজবাগ মধ্য বাসাবোর একটি বাসা থেকে নিচে পড়ে শওকত হোসেন ফকির (৩৫) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল ১০টার দিকে মধ্য বাসাবোর খেলার মাঠ সংলগ্ন নাভানা টাওয়ারে এ ঘটনা ঘটে। পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, মানসিক রোগী ছিলেন শওকত হোসেন। ২০ বছর আগে থেকে মাঝেমধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। সে কারণেই হয়তো আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। বাসাটির ছাদের সিসি ক্যামেরা ফুটেজেও তাকে এক পাশ থেকে অন্যপাশে দৌড়ে যেতে দেখা গেছে। এ সময় ছাদে আর কেউই ছিলেন না।
নিহতের বড় বোন সুলতানা মাহমুদা জানান, বেসিক ব্যাংকের ফকিরাপুল শাখার সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন শওকত হোসেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে তিনি। ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আয়শা আক্তারকে নিয়ে নাভানা টাওয়ারে ৫ম তলায় থাকতেন তিনি। ওই বাসাতেই থাকতেন বড় বোন সুলতানা মাহমুদ। শওকত হোসেনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পথচারী তৌফিক জানান, নাভানা টাওয়ারের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ভবনের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান নিহতের বড় বোন সুলতানা মাহমুদা।
তিনি জানান, গতকাল সকালে তিনি (সুলতানা মাহমুদ) অফিসে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খবর পান শওকত ভবন থেকে পড়ে গেছে। এরপর তিনি হাসপাতালে গিয়ে সৈকতের মৃতদেহ দেখতে পান। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। তবে শওকত হোসেন ভবন থেকে লাফিয়ে পড়তে পারেন বলে তাদের ধারণা।
এ বিষয়ে সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. মোরাদুল ইসলাম বলেন, মৃত শওকত হোসেনের স্ত্রী, ওই বাসার গৃহকর্মী ও তার বড় বোনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পারিবারিক কলহ বা ঝগড়াঝাঁটির মতো তেমন কোনো তথ্য পাইনি। পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, অনেক আগে থেকে শওকতের মানসিক সমস্যা ছিল। সে কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। এক প্রশ্নের জবাবে ওসি আরও বলেন, ছাদের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে তাকে একপাশ থেকে অন্যপাশে দৌড় দিতে দেখা গেছে। আমরা তদন্ত করছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর