× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

মহামারিতে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের রেমিট্যান্স কমলো ৪২ শতাংশ

এক্সক্লুসিভ

আশরাফুল মামুন, মালয়েশিয়া থেকে
১১ অক্টোবর ২০২১, সোমবার

করোনা মহামারির কারণে মালয়েশিয়ার অর্থনীতি এখন সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, এর আগে ৮০ দশকের পর অর্থাৎ ২২ বছর পর এই প্রথম জিডিপি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। আর এর নেতিবাচক প্রভাব দেশটিতে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ওপরও পড়েছে। সমপ্রতি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত অর্থবছরের তুলনায় এবার ৪২ শতাংশ কমেছে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রেরণ।
শুক্রবার (৮ই সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়াস্থ অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউসের চিফ এক্সিকিউটিভ কর্মকর্তা ও ডিরেক্টর খালেদ মোর্শেদ রিজভী বলেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে গত অর্থবছরের তুলনায় বর্তমান অর্থ বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৪২ শতাংশ নেমে এসেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অগ্রণী রেমিট্যান্স হাউসের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে অর্থ পাঠিয়েছেন, ২৬০.১১ কোটি টাকা। চলতি মাসের ৭ই অক্টোবর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স গেছে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা। মালয়েশিয়া থেকে বৈধপথে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে এসেছে ২ হাজার ২ দশমিক ৩৬ মিলিয়ন ডলার।
বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রেরণে মালয়েশিয়া ছিল ৫ম স্থানে। বর্তমানে তা ৭ম এ নেমে এসেছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে ১১০.৭০ মিলিয়ন, আগস্টে ৯৬.২৪ মিলিয়ন, সেপ্টেম্বরে ৮৩.৮৪ মিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরে গড়ে পাঠানো রেমিট্যান্সের তুলনায় ৪২ শতাংশ কমেছে।
বিগত প্রায় ২ বছর ধরে করোনা মোকাবিলায় জারি করা সরকারি বিধিনিষেধ ও লকডাউনে স্থবির হয়ে যায় রেমিট্যান্স প্রবাহ। গণহারে প্রবাসীরা তাদের কর্ম হারিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা হারিয়েছেন তাদের সবকিছু। দেশটিতে থাকা লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মী পড়েছেন উভয় সংকটে। কারণ তারা না পারছিলেন মালয়েশিয়ায় কামাই রোজগার করতে কিংবা না পারছিলেন নিজ দেশে খালি হাতে ফিরে যেতে। বছরের পর বছর কর্মহীন থাকার ফলে তারা হয়ে পড়েছেন ঋণগ্রস্ত। তবে আশার কথা হলো বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশটির সরকার অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন এবং সব ধরনের কর্মক্ষেত্র পর্যায়ক্রমে খুলে দেয়ায় প্রবাসীদের মাঝে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসছে। সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সব কিছু খুলে দেয়া হবে। আর এর মধ্যে দেশটির বাসিন্দাদের ১০০ ভাগ টিকা প্রদান সম্পন্ন করা হবে।
গত ২ মাসে সরকারের কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হতে শুরু করছে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের কর্মজীবন। আশা করা যাচ্ছে করোনার কারণে রেমিট্যান্স পাঠানোতে যে ক্ষতিসাধন হয়েছে সেটি পুষিয়ে উঠতে কমপক্ষে ৬ মাস সময় লাগবে।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর