× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গলবার , ১০ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

সোনাইমুড়ীতে কাজ না করে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বাংলারজমিন

সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
১৩ অক্টোবর ২০২১, বুধবার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭নং বজরা ইউনিয়নের সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যান মীরন অর রশিদের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী বাদী হয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ তদন্তে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আবু ইউসুফকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গত সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রকল্পগুলোর কাজের স্থান সরজমিন পরিদর্শন করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিরন অর রশিদ নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরে এডিবি, ভূমি হস্তান্তর, টিআর, কাবিখা, মৌলিক থোক বরাদ্দ, এলজিএসপি-৩ ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ইউনিয়নের সাকিরপুর গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, আমাদের ভূঁইয়া বাড়ির সামনের পাকার মাথা থেকে বদরপুর সীমানা পর্যন্ত রাস্তা মেরামত বাবদ ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা কোনো কাজ ছাড়াই চেয়ারম্যান উত্তোলন করেন। একই অভিযোগ তুলে বদরপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, বদরপুর দুলা মিয়া চৌকিদার বাড়ি মসজিদের পাশ থেকে এতিমখানা পর্যন্ত মাটি দ্বারা সড়ক সংস্কার বাবদ কোনো কাজ করা হয়নি। যার ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ লাখ ২১ হাজার টাকা।
এ ছাড়া পূর্ব চাঁদপুর তপাদার বাড়ির রাস্তা মেরামত বাবদ ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। মোটুবি পাকা রাস্তার মাথা থেকে পশ্চিমের রাস্তা মেরামত বাবদ ৭৬ হাজার টাকাসহ মোট ১০টি প্রকল্পে কাজ বাস্তবায়ন না করে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ করেন তারা। এদিকে, ওই এলাকাগুলোতে স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নসহ প্রবাসীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তারা তাদের সড়ক সংস্কার করে আসছে বলে জানায়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ এখন পর্যন্ত তারা পায়নি। অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে চেয়ারম্যান মিরন অর রশিদ জানান, আমি প্রতিহিংসার শিকার। প্রকল্পের প্রতিটি কাজ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে করা হয়েছে। প্রতিটি কাজ সরকারিভাবে তদন্ত করা হচ্ছে, আমি উনাদের সহযোগিতা করেছি। তদন্ত শেষে উনারা প্রতিবেদন প্রদান করলে প্রমাণ হবে আমি সবগুলো কাজ সঠিকভাবে করেছি কিনা। অভিযোগের তদন্তকারী নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক আবু ইউসুফ জানান, আমরা বিভিন্ন কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেছি এবং একইসঙ্গে যে অভিযোগগুলো দেয়া হয়েছে, সে অভিযোগগুলোর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে আমরা সবগুলো বিশ্লেষণ করে কয়েক দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে পারবো বলে আশা করছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর