× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার , ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিঃ

লুৎফুজ্জামান বাবরের ৮ বছরের কারাদণ্ড

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
১৩ অক্টোবর ২০২১, বুধবার

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে আট বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার দু’টি ধারায় লুৎফুজ্জামান বাবরকে পাঁচ ও তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়ার  পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা করেন আদালত।
তার আগে গত ৪ঠা অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ (দুদক) ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন। ২০০৭ সালের ২৬শে জুলাই থেকে এ মামলায় কারাগারে রয়েছেন। অনেক আগেই তার সাজার সময় পার হয়ে গেছে। এই রায়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাবর জানিয়েছেন এ বিষয়ে আপিল করবেন তিনি। তিনি বলেন, সাজার মেয়াদ পার হয়ে গেলেও যেহেতু এই রায়ে অপরাধী বলে সাব্যস্ত হলাম, আমি অবশ্যই আপিল করবো।’ তার আগে গত ২১শে সেপ্টেম্বর এই মামলার শুনানিকালে আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন তিনি। মামলায় বাবরের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আমিনুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।

২০০৮ সালের ১৩ই জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বাবরের বিরুদ্ধে রমনা থানায় এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই মামলার বাদী হন দুদকের জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ই জুলাই দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাবর দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংকে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা লেনদেনের হিসাব পাওয়া যায়। এই টাকা বাবরের ব্যাংক হিসাবে এসেছিল সিঙ্গাপুর থেকে। এ বিষয়ে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করলেও কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। এছাড়াও বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকার তথ্য তিনি গোপন করেন।
২০০৮ সালের ১২ই আগস্ট বাবরের বিরুদ্ধে আদালত বিচার শুরুর আদেশ দেয়। কিন্তু উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে মামলার বিচার দীর্ঘদিন আটকে ছিল। গত বছর ৩০ দিনের মধ্যে এ মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।
নেত্রকোনা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর ১৯৯১ সাল থেকে তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ২৮শে মে লুৎফুজ্জামান বাবরকে আটক করে যৌথবাহিনী। ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলা এবং ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত লুৎফুজ্জামান বাবর।
অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর