× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৯ নভেম্বর ২০২১, সোমবার , ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

স্থাপত্য: ইয়েমেনের রাজধানী সানা যেনো অন্য এক দুনিয়া

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(১ মাস আগে) অক্টোবর ১৫, ২০২১, শুক্রবার, ৭:৩০ অপরাহ্ন

ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে প্রবেশের পর মনে হবে এ এক অন্য দুনিয়া। লম্বা অথচ প্রশস্ত নয় এমন সব ভবনের সাড়ি সানাকে বিশ্বের সব শহর থেকে অন্যরকম করে রেখেছে। এই প্রতিটি সারি আবার শেষ হয়েছে ফল ও সবজির বাগানে গিয়ে। বাগানের আশেপাশেই দেখা যাবে এখনও সেই প্রাচীন কালের মতো গাধা বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে এখনও সেই মধ্যযুগের ছোঁয়া পাওয়া যায় এই শহরে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে চোখে পরে শহরটির স্থাপত্য। সানায় এমন সব ভবন দেখা যায় যা আর কোথাও নেই।

রাস্তার পাশে সিলিন্ডারের মতো ভবনগুলো লম্বা হয়ে আকাশের দিকে উঠে গেছে।
বেশীরভাগ ভবনই মাটি রঙের। একেক তলায় মাত্র একটি বা দুটি করে রুম রয়েছে। কিন্তু প্রতিটি ভবনই বেশ উঁচু। এসব ভবনের নিচ তলা ব্যবহার করা হয় গৃহপালিত প্রাণির ঘর হিসেবে। এর উপরের প্রতিটি তলাতেই রয়েছে কাচের জানালা। বাড়িগুলোর ছাদে থাকে বিনোদনের জন্য জায়গা। আবার যে রাতে বেশি গরম পরে সে রাতে যাতে ছাদে গিয়ে থাকা যায় সে ব্যবস্থাও থাকে। ভবনগুলো এমন আহামরি কিছু হয়ত না। কিন্তু একসঙ্গে পুরো সানা শহরটি পুরো জীবনে একবার হলেও দেখে আসার মতো স্থান।

এসব ভবনগুলো একেকটি প্রায় ৭ তলা লম্বা। ভবনগুলো ৩০০ থেকে ৫০০ বছরের পুরানো। এই উঁচু উঁচু ভবনের কারণে ইয়েমেনি শহরটিকে বলা হয় ম্যানহাটান অব দ্য ডেজার্ট। ইয়েমেনি এই শহরগুলো এতটাই ভিন্ন যে ইউনেস্কো সানা, জাবিদ ও শিবাম শহরকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় যুক্ত করেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর