× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠিইতিহাস থেকে
ঢাকা, ২৮ নভেম্বর ২০২১, রবিবার , ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিঃ

নিরাপত্তার চাদরে বায়তুল মোকাররম, মুসল্লিদের বিক্ষোভ

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) অক্টোবর ১৫, ২০২১, শুক্রবার, ২:১১ অপরাহ্ন

কুমিল্লার অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম ও আশপাশের এলাকা। পুলিশ-র‌্যাবের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি সদস্যদের। নিরাপত্তার ঘেরাঢোপেই বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মুসল্লিরা। জুমার নামাজের পর পল্টন মোড় থেকে মিছিল করেন কয়েক শতাধিক মুসল্লি। মিছিলটি কাকরাইলের নাইটেঙ্গেল মোড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এসময় পুলিশ জলকামান দিয়ে মুসল্লিদের ছাত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে তারা আশপাশের গলিতে অবস্থান নেন।
এর আগে আজ বেলা ১১টা থেকে পল্টন মোড় থেকে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে প্রবেশের মুখে বিজিবি সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
দক্ষিণ গেটে টহলে ও নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থায় দেখা গেছে র‌্যাব সদস্যদের। আর বাইতুল মোকাররমে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ পুলিশ। তবে মসজিদে প্রবেশে কাউকে কোনো তল্লাশি করা হয়নি। প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কড়াকড়িও আরোপ করা হয়নি। বায়তুল মোকাররমের পশ্চিম পাশে রাস্তায়, নাইটিংগেল, দৈনিক বাংলার মোড় ও পল্টন মোড়ে শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে সতর্কমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Richard Evanov
১৫ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার, ৭:৫৬

আবুল কাশেম , তওবা বলে মাফ পাবার মতো ঘটনা এটা নয়। আখের রাতে তাদের ক্ষতি যদি হতোই তবে আগবাড়ায়ে হিন্দু মণ্ডপ গুলো ভাংচুর করলেন কোন ইনসাফে ? এখন তাদের মণ্ডপ মূর্তি ফিরায়ে দিয়া নসিব আদায় করেন।

True Mia
১৫ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার, ৫:২৭

PM you never said who dishonored the only 100000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000% correct book in world from Allah must be punished. You think to please India only

আবুল কাসেম
১৫ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার, ৩:০৮

মূর্তির পায়ের নিচে পবিত্র কুরআন মজিদ রাখা চরম ধৃষ্টতা। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া আবশ্যক। তবে কুমিল্লার ঘটনাকে পুঁজি করে কেউ যেনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে। যারা এ কাজ করেছে দুনিয়া এবং আখেরাতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেই হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে যদি তওবা করে তাহলে দয়াময় মেহেরবান ক্ষমাশীল আল্লাহ রব্বুল আলামীন মাফ করে দেবেন। পথভ্রষ্টরা যখনই তওবা করে তখনই আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, "হে ইমানদারেরা, তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করো, আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে ঝরনাসমূহ প্রবহমান।" সুরা আত্ তাহরিম, আয়াতঃ৮। "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।" সুরা আল বাকারা, আয়াতঃ২২২। "(হে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলুন, (আল্লাহ বলেন) হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের সত্তার প্রতি সীমাহীন জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন; নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" সুরা জুমার, আয়াতঃ৫৩। রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, "হে মানব সকল! তোমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, নিশ্চয় আমি প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করি।" -মুসলিম শরীফ। তিনি আরও বলেন, "সকল আদম সন্তানই গুনাহগার, গুনাহগারদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো তওবাকারীরা"। তিরমিজি, ইবনে মাজা, দারেমি। তওবার সুফল সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, "গুনাহ থেকে তওবাকারী, বেগুনাহ ব্যক্তির মতো।" ইবনে মাজা, বায়হাকি। বিশ্ব মানব জাতির জন্য এটা একটা দুঃসংবাদ যে, মানুষ বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত। যদিও সকল মানুষ একই স্রষ্টার সৃষ্টি এবং আদতে একই ধর্মের অনুসারী ছিলো। কিন্তু, মানুষ পারষ্পরিক অহংকার ও শ্রেষ্ঠত্বের বশবর্তী হয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হচ্ছে, "প্রথমে সব মানুষ একই পথের অনুসারী ছিলো। (তারপর এ অবস্থা অপরিবর্তিত থাকেনি, তাদের মধ্যে মতভেদের সূচনা হয়) তখন আল্লাহ‌ নবী পাঠান। তারা ছিলেন সত্য সঠিক পথের অনুসারীদের জন্য সুসংবাদদাতা এবং অসত্য ও বেঠিক পথ অবলন্বনের পরিণতির ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শনকারী। আর তাদের সাথে সত্য কিতাব পাঠান, যাতে সত্য সম্পর্কে তাদের মধ্যে যে মতভেদ দেখা দিয়েছিল তার মীমাংসা করা যায়।---(এবং প্রথমে তাদেরকে সত্য সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হয়নি বলে এ মতভেদগুলো সৃষ্টি হয়েছিল, তা নয়) মতভেদ তারাই করেছিল যাদেরকে সত্যের জ্ঞান দান করা হয়েছিল। তারা সুস্পষ্ট পথনির্দেশ লাভ করার পরও কেবলমাত্র পরস্পরের ওপর বাড়াবাড়ি করতে চাচ্ছিল বলেই সত্য পরিহার করে বিভিন্ন পথ উদ্ভাবন করে। --- কাজেই যারা নবীদের ওপর ঈমান এনেছে তাদেরকে আল্লাহ‌ নিজের ইচ্ছাক্রমে সেই সত্যের পথ দিয়েছেন, যে ব্যাপারে লোকেরা মতবিরোধ করেছিলো। আল্লাহ‌ যাকে চান সত্য সঠিক পথ দেখিয়ে দেন।" সূরা আল বাক্কারা, আয়াতঃ২১৩। পৃথিবীতে ধর্মের উৎপত্তি হযরত আদম আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আমরা বললাম তোমরা সবাই এখান থেকে নেমে যাও। এরপর যখন আমার পক্ষ থেকে কোন হিদায়াত তোমাদের কাছে পৌঁছুবে তখন যারা আমার সেই হিদায়াতের অনুসরণ করবে তাদের জন্য থাকবে না কোন ভয় দুঃখ বেদনা।" সূরা আল বাক্কারা, আয়াতঃ৩৮। এই আয়াতে কারিমায় আল্লাহর যে হেদায়াতের কথা বলা হয়েছে সেটাই হলো 'ইসলাম'। প্রথম মানুষ হযরত আদম আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাধ্যমে পৃথিবীতে ইসলামের আবির্ভাব। পৃথিবীর সকল মানুষকে আল্লাহ তায়ালা ইসলামের অনুসারী হতে বলেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "ইসলাম আল্লাহ‌র নিকট একমাত্র দ্বীন–জীবন বিধান। যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল, তারা এ দ্বীন থেকে সরে গিয়ে যেসব বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছে, সেগুলো অবলম্বনের এছাড়া আর কোন কারণই ছিল না যে, প্রকৃত জ্ঞান এসে যাওয়ার পর তারা নিজেদের মধ্যে পরস্পরের ওপর বাড়াবাড়ি করার জন্য এমনটি করেছে। আর যে কেউ আল্লাহ‌র হেদায়াতের আনুগত্য করতে অস্বীকার করে, তার কাছ থেকে হিসেব নিতে আল্লাহ‌র মোটেই দেরী হয় না।" সূরা আলে ইমরান, আয়াতঃ১৯। পরকালেও ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো কিছু গ্রহণ করা হবেনা। যদি কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম নিয়ে উপস্থিত হয় তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আল্লাহ বলেন, "যে কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য জীবন ব্যবস্থা অনুসন্ধান করবে, তার পক্ষ থেকে তা (অন্য কোনো জীবন ব্যবস্থা) কখনও গ্রহণ করা হবে না। আর সে হবে পরলোকে ক্ষতিগ্রস্তদের দলভুক্ত।" সুরা আলে ইমরান, আয়াতঃ৮৫। বলা হয়ে থাকে, 'সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই' এবং এও বলা হয়ে থাকে, মানবতার ধর্মই সবচেয়ে বড়ো ধর্ম। এদিক থেকেও ইসলাম সবচেয়ে বড়ো 'মানবতার' ধর্ম। ইসলামের অনুসারী হলে মানুষ কতোটা মানবিক হয়ে উঠতে পারে তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে আল্লাহ তায়ালার একটি আয়াতই যথেষ্ট। তিনি বলেন, "আর তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর এবং কোন কিছুকে তার সাথে শরীক করো না(১); এবং পিতা-মাতা(২), আত্মীয়-স্বজন(৩), ইয়াতীম, অভাবগ্রস্থ(৪), নিকট প্রতিবেশী(৫), দুর-প্রতিবেশী(৬), সঙ্গী-সাথী(৭), মুসাফির(৮) ও তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের(৯) প্রতি সদ্ব্যবহারকরো নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক, অহংকারীকে।" সূরা আন নিসা, আয়াতঃ৩৬। মানবিক শিক্ষামূলক অসংখ্য আয়াত রয়েছে কুরআনুল কারিমে। এই যে বিভিন্ন ধর্মের লোকেরা মূর্তি পূজা করে- যেমন, হিন্দুরা বহু দেবদেবীর মূর্তি তৈরি করে তাদের পূজা করে, খৃষ্টানরা মারিয়াম পুত্র ঈসার শূলবিদ্ধ মূর্তির পূজা করে এবং বৌদ্ধরা গৌতম বুদ্ধের মূর্তির পূজা করে- তারা তাদের ধর্মের বিধান বিকৃত করেই তা করছে। সকল ধর্মের ধর্মগ্রন্থেই বলা হয়েছে ঈশ্বরের কোনো প্রতিমূর্তি, প্রতিমা বা আকৃতি নেই। তাঁর শরিক ও সমকক্ষ কেউ নেই। তিনি নিরাকার। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "বলো, তিনি আল্লাহ, একক। আল্লাহ কারোর ওপর নির্ভরশীল নন এবং সবাই তাঁর ওপর নির্ভরশীল। তাঁর কোন সন্তান নেই এবং তিনি কারোর সন্তান নন এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।" সূরা ইখলাস, আয়াতঃ১-৪। প্রধান প্রধান ধর্মগ্রন্থগুলোতে আল্লাহর কোনো প্রতিকৃতি নেই বলা হলেও তারা নিজেদের প্রবৃত্তির বশবর্তী হয়ে মূর্তি পূজা করে যাচ্ছে। এটা স্রষ্টার নির্দেশ অমান্য করার সঙ্গে সঙ্গে অপচয় ও পরিবেশ দূষণের কারণও বটে। যার যার ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পথে কারো কোনো প্রকার বাধা দেয়া অন্যায়। অন্য ধর্মের ধর্মগ্রন্থ অবমাননা করা অন্যায় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করা করাও অপরাধ। যারা এসবের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেয়া উচিত। ইসলাম ধর্মে কোনো রকম বাড়াবাড়ি করা নিষেধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "দ্বীনের ব্যাপারে কোন জোর-জবরদস্তি নেই। ভ্রান্ত মত ও পথ থেকে সঠিক মত ও পথকে ছাঁটাই করে আলাদা করে দেয়া হয়েছে। এখন যে কেউ তাগুতকে অস্বীকার করে আল্লাহর ওপর ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত অবলম্বন আঁকড়ে ধরে, যা কখনো ছিন্ন হয় না। আর আল্লাহ‌ (যাকে সে অবলম্বন হিসেবে আঁকড়ে ধরেছে) সবকিছু শোনেন ও জানেন।" সূরা আল বাক্কারা, আয়াতঃ২৫৬। কাউকে জোরজবরদস্তি করে ধর্মে দীক্ষিত করতে আল্লাহ তায়ালা নিষেধ করেছেন। সুতরাং, মুসলমানরা এধরণের দুষ্কর্ম্মের সঙ্গে কখনো জড়িত হয়না। হিন্দু সহ অন্যান্য ধর্মের মানুষের সাথে দীর্ঘ সহাবস্থানের ঐতিহ্য রয়েছে বাংলাদেশে। যারা মানবতার শত্রু তারাই ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করছে। তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক যেনো আর কখনো এধরণের দুষ্কর্ম্মে প্রবৃত্ত হওয়ার কথা ভাবার আগে অন্ততঃ দুবার চিন্তা করতে বাধ্য হয়।

মোঃ সাইফুল ইসলাম
১৫ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার, ৩:২১

এ ছাড়া উপায় কি ? কারণ এটা শাহ জালালের দেশ, শাহ মাখদুমের দেশ, তা ছাড়া এটা মুসলিমদের দেশ। এখানে কুরআন অবমানা হবে আর মুসলমানরা তার প্রতিবাদ করবে না তা কি করে হয়। মুসলমানদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অন্যায়ভাবে বাঁধা দেয়া হাদীসের ভাষায় কুফরী।

অন্যান্য খবর